কথা দিয়ে কথা রাখলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগের ম্যাচে ছন্দ ধরে রাখার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটি আবারও প্রমাণ করলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। চট্টগ্রামের বিপক্ষে শেষ দিকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে রংপুর রাইডার্সকে ৫ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন তিনি।
গতকাল (৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিপক্ষে শেষ দিকে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মাহমুদউল্লাহ। তার সঙ্গে খুশদিল শাহও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এই জয়ে টানা তৃতীয় ম্যাচ জিতল রংপুর।
এই জয়ের ফলে ৫ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেল নুরুল হাসান সোহানের দল। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম।
শেষদিকে ম্যাচ জেতা সহজ ছিল না রংপুরের জন্য। ২৪ বলে প্রয়োজন ছিল ৪১ রান। তবে মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল শাহের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে দ্রুতই ম্যাচ নিজেদের করে নেয় রংপুর।
১৭তম ওভারে আমের জামালের বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২০ রান নেন মাহমুদউল্লাহ। পরের ওভারে শরীফুল ইসলামের বলে খুশদিল শাহ হাঁকান ২ চার ও ১ ছক্কা। সেই ওভারে বড় রান উঠলেও আউট হন খুশদিল। এরপর শেষ ১২ বলে মাত্র ৫ রান দরকার ছিল রংপুরের। ১৯তম ওভারে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় দলটি।
যদিও শেষের কাজটা ভালোভাবে করেন মাহমুদউল্লাহ-খুশদিল, ম্যাচের ভিতটা গড়ে দেন কাইল মায়ার্স। ওপেনিংয়ে নেমে ২৩ বলে দুর্দান্ত ৫০ রান করেন তিনি। ইনিংসটি সাজান ৫ চার ও ৪ ছক্কায়। এবারের বিপিএলে এটিই দ্রুততম ফিফটি। এই পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার পান মায়ার্স।
ডেভিড মালানও করেন গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রান। চট্টগ্রামের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন শরীফুল ইসলাম, নেন ৩ উইকেট।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম ৫ উইকেটে তোলে ১৬৯ রান। অ্যাডাম রসিংটন টানা তৃতীয় ফিফটি করে ৫৮ রান করেন। বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে পাকিস্তানের হাসান নওয়াজ করেন ৪৬ রান।
রংপুরের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান ও আকিফ জাভেদ।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন