× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

বাংলাদেশের সব ক্রীড়া সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করেছে আইসিসি। ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশের সব ক্রীড়া সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করেছে আইসিসি। ছবি- সংগৃহীত

ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে আগেই বাদ পড়েছে বাংলাদেশ। সেই সিদ্ধান্তের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আরও কঠোর অবস্থান নিল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এবার বিশ্বকাপ কাভার করতে আবেদন করা বাংলাদেশের সব ক্রীড়া সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করা হয়েছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে আইসিসিতে যেসব সাংবাদিক আবেদন করেছিলেন, তাদের প্রত্যেকের আবেদনই প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এর ফলে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করতে বাংলাদেশ থেকে কোনো সাংবাদিকই মাঠে উপস্থিত থাকতে পারছেন না।

মাঠের লড়াই শুরুর আগেই মাঠের বাইরের রাজনীতি এবং আইসিসির একগুঁয়েমি এখন তুঙ্গে। নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে উত্তাল বাংলাদেশ ক্রিকেট অঙ্গন, আর তার প্রভাব পড়েছে সরাসরি দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতার ওপর।

পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতায় এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে। বাংলাদেশ দল খেলুক বা না খেলুক— পুরো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার লক্ষ্যে আইসিসির নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করেছিলেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা। এমনকি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার প্রস্তুতিও ছিল অনেকের।

১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পর থেকে প্রতিটি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ দল অংশ না নিলেও অতীতের একাধিক বিশ্বকাপ কাভার করেছেন দেশের সাংবাদিকরা। ক্রিকেটপ্রেমী দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ মানেই বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রস্তুতি।

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ সরকার, ক্রিকেটার, সমর্থক ও সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে ভারতে খেলতে অনীহার কথা জানানো হয়। বিকল্প হিসেবে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধ জানানো হলেও আইসিসি তা আমলে নেয়নি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়— শ্রীলঙ্কা ছাড়া ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ। এর পরই দলকে কার্যত ‘ফরফিট’ বা বাদ দেওয়া হয়।

দল বাদ যাওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার সন্ধ্যায় আসে আরেকটি বিস্ময়কর খবর। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করতে আবেদন করা অর্ধশতাধিক বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকের আবেদন একযোগে বাতিল করে দেয় আইসিসি।

বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসজেএ) সভাপতি আরিফুর রহমান বাবু এই ঘটনাকে ক্রীড়া সাংবাদিকদের জন্য অপমানজনক ও গ্লানিকর বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতার জন্য চরম অবমাননা।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বকাপ কাভার করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও সিনিয়র সাংবাদিকদের আবেদনও বাতিল করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে ভারতে খেলতে না চাইলেও সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভার করার অধিকার আছে। বিশ্বকাপ তো শুধু ভারতে নয়, শ্রীলঙ্কাতেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে গিয়ে খেলা কাভার করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সবাইকে একসঙ্গে বাতিল করা বিস্ময়কর।

বিএসজেএ সভাপতি জানান, আইসিসি থেকে পাঠানো ই-মেইলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ বিষয়ে কোনো ফিরতি ই-মেইল গ্রহণ করা হবে না। তবে তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের তিনটি সংগঠন— বিএসজেএ, বিএসপিএ ও বিএসজেসি— একসঙ্গে বসে বিসিবি বা তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইসিসির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি পাঠানো উচিত এবং এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিক ব্যাখ্যা দাবি করা প্রয়োজন।

তার মতে, বাংলাদেশের ভারতে গিয়ে খেলতে না চাওয়ার কারণেই দেশটির সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভার করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, যা একপেশে ও ঘৃণ্য মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। ক্রিকেট দলের পাশাপাশি বাংলাদেশের গণমাধ্যমকেও চাপে ফেলতে চাচ্ছে কি না— সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Link copied!