বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার মতো বড় ঘটনার পর নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রথম দিনই সে সম্পর্কে ‘বরফ গলানোর’ বার্তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণের পরপরই সংসদ ভবনে ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন নতুন প্রতিমন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, বিশ্বকাপ ইস্যুতে সৃষ্ট কূটনৈতিক জটিলতা নিয়ে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কূটনৈতিক জটিলতার কারণেই আমরা বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারিনি। বিষয়টি আগে মিটমাট করা গেলে বাংলাদেশ দল অংশ নিত। আমরা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সচল ও বন্ধুত্বপূর্ণ রাখতে চাই, তাই দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান চাই।
আগের সরকারের আমলে হওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনকে অত্যন্ত ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, আইসিসির নিয়মনীতি মেনেই বিসিবিতে সংস্কার আনা হবে।
ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয়করণের বিষাক্ত প্রভাব থেকে মুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের চর্চা রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে খেলাধুলাকে রাজনীতিমুক্ত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। প্রকৃত ক্রীড়াপ্রেমীদের হাতেই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন