আধুনিক ফুটবলের দুই মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং মার্সেলো। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে একসময় মাঠ কাঁপানো এই দুই বন্ধুর বন্ধুত্ব ফুটবল বিশ্বে রূপকথার মতো। তবে এবার সময়টা তাদের উত্তরসূরিদের।
২০২৬ সালের আলগার্ভ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ফুটবল বিশ্বের নজর ছিল এই দুই কিংবদন্তি-পুত্রের ওপর। পর্তুগালের হয়ে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখলেও, স্পেনের জার্সিতে গোলবন্যা বইয়ে দিয়ে পাদপ্রদীপের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছেন মার্সেলো-পুত্র এনজো আলভেস।
পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে এই টুর্নামেন্টে মাঠে নেমেছিলেন রোনালদো জুনিয়র। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি তার ফুটবলীয় বুদ্ধিমত্তা এবং ট্যাকটিক্যাল উন্নতির প্রমাণ দিয়েছেন।
জাপানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে আক্রমণভাগে গতি সঞ্চার করেন তিনি। তবে তার আসল চমক দেখা যায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে, যেখানে বাঁ-দিকের উইঙ্গার হিসেবে প্রথম একাদশে সুযোগ পান তিনি।
ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, বাবার মতো কেবল একক নৈপুণ্য নয়, বরং দলীয় সমন্বয়ে তিনি ছিলেন দুর্দান্ত। জার্মানির বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন জুনিয়র। ম্যাচটিতে পর্তুগাল জয়ী হয়ে শিরোপা ঘরে তুললেও রোনালদো জুনিয়র কোনো গোল পাননি, তবে পুরো টুর্নামেন্টে তার ধারাবাহিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় চমক ছিল মার্সেলোর ছেলে এনজো আলভেসকে নিয়ে। বাবার দেশ ব্রাজিলের বদলে এনজো বেছে নিয়েছেন স্পেনের অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলকে। রিয়াল মাদ্রিদ একাডেমিতে বেড়ে ওঠা এই তরুণ স্ট্রাইকার ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ৭-০ গোলের বিশাল জয়ে জোড়া গোল (ব্রেস) করে স্পেনের শিরোপা নিশ্চিত করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন