× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ছবি : সংগৃহীত

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে আগামীর খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে দেশব্যাপী উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আশির দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র আদলে এবার দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’।

এই ইভেন্টের সার্বিক প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নে রোববার (১৬ মার্চ) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে ক্রীড়া পরিদপ্তরের উদ্যোগে দেশের সকল জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা ক্রীড়া অফিসারদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের জন্য মোট ৭টি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে সিলেট থেকে যাত্রা শুরু হবে। খেলাগুলো প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে বিজয়ীরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় হয়ে সর্বশেষে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে।

তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের জন্য সরকারি ক্রীড়া বৃত্তি থাকবে। এছাড়া বিকেএসপি’র মাধ্যমে তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে। উদ্যোগটি তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও কর্মঠ জাতি গঠনে সহায়ক হবে।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই প্রতিযোগিতা পরিচালিত হবে। চলতি বছরের আসর জুলাই মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছর খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যন্ত ক্রীড়াকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। দল-মত নির্বিশেষে খেলাধুলার মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে এগিয়ে যাওয়াই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতাও তিনি কামনা করেন।

Link copied!