আইপিএল ২০২৬-এর উদ্বোধনী রাতে ঘরের মাঠে দারুণ জয়ে আসর শুরু করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এদিন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি) যখন চাপের মুখে, ঠিক তখনই ‘ইমপ্যাক্ট সাব’ হিসেবে নেমে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন দেবদত্ত পড়িক্কল।
ব্যাট হাতে মাত্র ২৬ বলে ৬১ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংসে হায়দ্রাবাদকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
ম্যাচের শুরুটা হায়দ্রাবাদের জন্য ভালো ছিল। ২০২ রানের বিশাল পুঁজি নিয়ে বোলিং করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই বিপজ্জনক ফিল সল্টকে সাজঘরে ফেরান জয়দেব উনাদকাট।
সেই মুহূর্তেই ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে মাঠে নামেন পড়িক্কল। উনাদকাটের প্রথম বলটিকেই ডিপ ফাইন লেগের ওপর দিয়ে ছক্কায় উড়িয়ে নিজের আগমণী বার্তা দেন তিনি। এরপর মাত্র ১০ বলের মধ্যে ৩টি ছক্কা ও ৩টি চারের সাহায্যে ৩৪ রান তুলে নিয়ে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসান এই তরুণ তুর্কি।
পড়িক্কলের এই ব্যাটিং তাণ্ডব হায়দ্রাবাদের সব পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়। ম্যাচ শেষে পরাজয় স্বীকার করে হায়দ্রাবাদের প্রধান কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরি বলেন, সে এসেই প্রথম বলে ছয় মারল এবং ২০০-র ওপর স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করল। সেসব বোলারের ওপর চড়াও হয়ে বিরাটকে নিজের ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।
কোচ আরও বলেন, ওর দেখানো এই আগ্রাসনই ম্যাচে মূল পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
এদিকে, মাঠের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে পড়িক্কলের এই মুগ্ধকর ব্যাটিং উপভোগ করেছেন বিরাট কোহলি। দুজনের ১০১ রানের জুটি ম্যাচটিকে একতরফা করে তোলে।
ম্যাচ শেষে কোহলি বলেন, আমার পরিকল্পনা ছিল পাওয়ারপ্লে-তে আক্রমণাত্মক খেলার। কিন্তু ওর ব্যাটিং দেখে আমি ভাবলাম, শুধু ওকে স্ট্রাইক দিয়ে যাই। ওর টাইমিং, হেড পজিশন এবং ব্যালেন্স ছিল এক কথায় বিশ্বমানের। সে একাই প্রতিপক্ষের হাত থেকে ম্যাচটি ছিনিয়ে নিয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন