× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

সেমিফাইনালে মুখোমুখি বায়ার্ন-পিএসজি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

ছবি  : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপীয় ফুটবলের মঞ্চে এমন নাটকীয় ম্যাচ খুব কমই দেখা যায়। বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার বুধবারের লড়াইটি কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না, এটি ছিল আবেগ, ভুল, অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে ঠাসা এক মহাকাব্য। ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ৪-৩ ব্যবধানে জয়ী হয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ গোল ব্যবধানে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ।

ম্যাচের শুরুটা ছিল বায়ার্ন সমর্থকদের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। রেফারির বাঁশি বাজার মাত্র ৩৬ সেকেন্ডের মাথায় বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যায়ারের ভুলে বল পেয়ে যান আরদা গুলের। তুর্কি এই তরুণ দূরপাল্লার এক নিখুঁত শটে বল জালে জড়ালে স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারি। এই গোলের সুবাদে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইনে সমতা ফেরায় রিয়াল।

শুরুতেই গোল হজম করলেও দমে যায়নি বায়ার্ন। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে তারা দ্রুতই ম্যাচে ফেরে। জশুয়া কিমিচের চমৎকার এক কর্নার থেকে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন তরুণ মিডফিল্ডার আলেকজান্ডার পাভলোভিচ। 

তবে ম্যাচের ৩০ মিনিটে আবারো চমক দেখান আরদা গুলের। তার অসাধারণ এক ফ্রি-কিক খুঁজে পায় জালের ঠিকানা, যা রিয়ালকে ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মতো লিড এনে দেয়।

প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিট ছিল টানটান উত্তেজনা। ৩৯ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর জটলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন বায়ার্ন স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। কিন্তু সমতায় ফেরার স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বায়ার্নের। বিরতির ঠিক আগে ভিনিসিউস জুনিয়রের বাড়ানো বল থেকে সহজ গোল করে স্কোরলাইন ৩-২ করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর একাধিক সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। বিশেষ করে এমবাপ্পে কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পায় বায়ার্ন। ম্যাচের নাটকীয়তার তখনও অনেক বাকি ছিল। ৮৭ মিনিটে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় রিয়াল মাদ্রিদ।

এই সুযোগটিই কাজে লাগায় স্বাগতিকরা। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে (৯০ মিনিট) লুইস দিয়াজ এক চোখ ধাঁধানো দূরপাল্লার শটে গোল করে স্টেডিয়ামে প্রাণের সঞ্চার করেন। 

আর যোগ করা সময়ে রিয়ালের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন মাইকেল অলিসে। তার দুর্দান্ত এক কার্লিং শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় বায়ার্নের।

এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের প্রতিপক্ষ এখন পিএসজি। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!