× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

বাংলাদেশের ম্যাচ সরিয়ে নিলে ভারতের ক্ষতি কতটা?

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়ার পর বিষয়টি ঘিরে বাংলাদেশে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, বিসিবির অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সূচিতে পরিবর্তন আনতে পারে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে- বাংলাদেশের ম্যাচ যদি ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে এতে ভারতের আর্থিক ক্ষতি কতটা হবে?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরে গেলেও বিসিসিআইয়ের সম্প্রচার আয় কিংবা আইসিসির কেন্দ্রীয় ইভেন্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না। তবে নির্দিষ্ট কিছু ভেন্যুতে ম্যাচ-ডে আয়ের পাশাপাশি স্থানীয় স্পন্সরশিপ ও বিভিন্ন অ্যাক্টিভেশন কার্যক্রমে কিছুটা ক্ষতি হতে পারে।

বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পুরোপুরি বাতিল হবে, অন্য দেশে সরানো হবে নাকি ভারতের ভেতরেই বিকল্প ম্যাচ দিয়ে সূচি পূরণ করা হবে- আইসিসির এই সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে ভারতের আর্থিক প্রভাবের মাত্রা।

গ্রুপ ‘সি’-তে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে- ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি নির্ধারিত ছিল মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে, নেপালের বিপক্ষে।

ইডেন গার্ডেন্সের ধারণক্ষমতা প্রায় ৬৩ হাজার দর্শক এবং ওয়াংখেড়ের প্রায় ৩৩ হাজার। সব মিলিয়ে চারটি ম্যাচে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার দর্শকের টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা ছিল।

আইসিসির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ম্যাচগুলোর টিকিটের দাম শুরু হয়েছে ১০০ টাকা থেকে। বাংলাদেশ-ইতালি ম্যাচের টিকিট সর্বনিম্ন ১০০ টাকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ–বাংলাদেশ ম্যাচে ৩০০ টাকা এবং বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আইসিসির ভারতীয় টিকিটিং নীতিমালা অনুযায়ী, গেট মানির মালিকানা থাকে আইসিসি বিজনেস করপোরেশনের (আইবিসি)। বিসিসিআই এখানে মূলত আয়োজক সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং ম্যাচ আয়োজন, অপারেশন, হসপিটালিটি, স্থানীয় স্পন্সর ও ম্যাচ-ডে উদ্বৃত্ত থেকেই তাদের আয় আসে।

সম্ভাব্য তিনটি পরিস্থিতি

১. যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং কোনো বিকল্প ম্যাচ না দেওয়া হয়, তাহলে আনুমানিক ৭ থেকে ৩০ কোটি টাকার সমপরিমাণ আয় ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এই হিসাব ধরা হয়েছে ৬০–৯০ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি ও গড়ে ৫০০ থেকে ১,৫০০ টাকা টিকিট মূল্যের ভিত্তিতে।

২. ম্যাচগুলো সরানো হলেও ভেন্যুগুলোতে অন্য ম্যাচ আয়োজন করা হলে ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। তবে দর্শক চাহিদার পার্থক্য এখানে বড় ভূমিকা রাখবে।

৩. আইসিসি যদি একই সূচির মধ্যে ভেন্যু বা তারিখ অদলবদল করে, তাহলে আর্থিক ক্ষতি তুলনামূলক কম হবে। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপ পড়বে লজিস্টিক ও নতুন পরিকল্পনার খরচে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!