ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমন পরিস্থিতিতে আজ (২৪ জানুয়ারি) আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। 

তবে এটি কেবল একটি টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়া নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য আরও বড় কোনো শাস্তির পূর্বাভাস কি না তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা।

আইসিসি কেন কঠোর হতে পারে?

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি পূর্ণ সদস্য দেশ আইসিসির ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে চুক্তিবদ্ধ। আইসিসি যদি বাংলাদেশের দেওয়া অভিযোগগুলোকে ‘অযৌক্তিক’ হিসেবে গণ্য করে তাহলে সে ক্ষেত্রে তিন ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

১. আর্থিক জরিমানা ও রাজস্ব কর্তন: আইসিসির লভ্যাংশের একটি বিশাল অংশ বিসিবি পেয়ে থাকে। টুর্নামেন্ট বয়কট করায় সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান ও স্পনসরদের যে ক্ষতি হবে, তার দায়ভার বিসিবির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হতে পারে। 

২. রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ: ক্রিকেট বোর্ড সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে—এটি আইসিসির প্রধান শর্ত। যেহেতু এই বয়কটের সিদ্ধান্তে সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টার সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে, তাই আইসিসি একে ‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে। 

এর আগে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কাকে এই একই অভিযোগে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

৩. চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও পরবর্তী ইভেন্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা: আইসিসি যদি মনে করে বিসিবির এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে, তবে পরবর্তী বড় ইভেন্ট যেমন—চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বা পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

এদিকে, আইসিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, নিরপেক্ষ নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকদের মতে ভারতের ভেন্যুগুলো নিরাপদ ছিল। 

এ ছাড়াও বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে না খেললে বাংলাদেশের র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় ধস নামবে। এর ফলে সরাসরি পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং সহযোগী দেশগুলোর সাথে বাছাইপর্ব খেলে আসতে হবে।