বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এক চরম অস্বস্তিকর এবং চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না করা নিয়ে সৃষ্ট বিব্রতকর পরিস্থিতি তার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এসবের মাঝেও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।
এক সাক্ষাৎকারে বিসিবি সভাপতি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, বড় কথা হচ্ছে, আমি সার্ভ করতে এসেছি। যতদিন পারি সার্ভ করব। যখন মনে হবে চলে যাব।
বোর্ডে একের পর এক ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্রিকেটে রাজনীতির প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বাদ পড়া এবং পরবর্তীতে নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে অনেকেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখছেন।
এর জবাবে বুলবুল বলেন, আমার কোনো রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড নেই, ক্ষমতা নেই। আমার শক্তি একটাই—সততা আর এত বছরের ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা। আমাদের টিম পরিচালকদের নিয়ে, ক্রিকেট বোর্ডের কর্মীদের নিয়ে গড়া।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললেও আইসিসি থেকে বিসিবি সভাপতিকে ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসায় অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পাশাপাশি আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানদেরও এই ম্যাচে চাইছে আইসিসি।
বুলবুল দুই দিন আগে এই আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে তার পক্ষে উপস্থিত থাকা সম্ভব হচ্ছে না।
নিরাপত্তা ইস্যুতে সরকার বাংলাদেশ দলকে ভারতে বিশ্বকাপে পাঠাতে রাজি না হওয়ায় এবং আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানায় এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলছে না। তবে এর জন্য কোনো শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না বাংলাদেশকে।
বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন, আইসিসির কাছ থেকে বাংলাদেশের পাওনা অর্থ এবং বিশ্বকাপের লাভের অংশ নিয়ম অনুযায়ী পাওয়া যাবে। এ ছাড়াও ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে আইসিসির একটি বড় ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ।



