পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন পরিবেশের মাঝেই ১৫ জেলায় দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এক মাস সিয়াম সাধনার পর আজ সারা দেশে মুসলিম উম্মাহর ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।
সকাল থেকেই ঈদগাহ ও মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত আদায়ের মাধ্যমে শুরু হয়েছে মূল আনুষ্ঠানিকতা। ধর্মপ্রাণ মানুষ একে অপরের সঙ্গে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন, যা সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা বয়ে আনছে। তবে উৎসবের এই আনন্দের মাঝেই সকাল থেকে আকাশের গুমোট ভাব কিছুটা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কালবৈশাখী মৌসুম চলায় সারা দেশে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য বিশেষ পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।
এই সময়ে পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের আরেক বার্তায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বিরাজ করছে। এর প্রভাবে দেশের আট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঈদের এই বিশেষ দিনে উৎসবের আনন্দ বজায় রাখার পাশাপাশি আকস্মিক আবহাওয়া পরিবর্তনের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

