× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৭:৫৪ এএম

গরমে পুড়বে দেশ, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ও

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৭:৫৪ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

এপ্রিলের অস্বাভাবিক অতিবৃষ্টির রেশ কাটতে না কাটতেই মে মাসে তীব্র তাপপ্রবাহের পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সংস্থাটির দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশে এক থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং অন্তত একটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা ৪১ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মে মাসে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। যেখানে এপ্রিলে গড়ে ১১৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা, সেখানে হয়েছে ১৯৬ মিলিমিটার—যা প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে স্বাভাবিকের দ্বিগুণেরও বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, সাধারণত এ সময়ে ভারতের উজানে বেশি বৃষ্টি হলেও এবার বাংলাদেশেই অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা মৌসুমি প্রবণতার বিপরীত।

এপ্রিলের অতিবৃষ্টির প্রভাব ইতিমধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওড় এলাকায় পড়তে শুরু করেছে। সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার হাওরগুলোতে পানি বাড়ছে। বোরো ধান কাটার শেষ সময়ে হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেক স্থানে ফসল তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

এর মধ্যে মে মাসে সম্ভাব্য কালবৈশাখী ঝড় ও ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস কৃষকদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। শ্রমিকসংকট ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক এলাকায় পাকা ধান দ্রুত ঘরে তোলা যাচ্ছে না।

আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপের প্রভাবে ভারি বৃষ্টি শুরু হলে হাওড় অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!