× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

ইরানে বিক্ষোভ চরমে, সরকারি দপ্তর দখলের চেষ্টা বিক্ষোভকারীদের

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

ফারস প্রদেশে গভর্নরের কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছে বিক্ষোভকারীরা। ছবি : সংগৃহীত

ফারস প্রদেশে গভর্নরের কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছে বিক্ষোভকারীরা। ছবি : সংগৃহীত

ইরানে মূল্যস্ফীতি এবং জাতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন নিয়ে বিক্ষোভ ও ধর্মঘট টানা চতুর্থ দিনেও অব্যাহত রয়েছে। রাজধানী তেহরানের ঐতিহ্যবাহী গ্র্যান্ড বাজারে দোকানিরা ধর্মঘটে গেলে বিক্ষোভের সূচনা হয়। তেহরান থেকে শুরু হয়ে এই আন্দোলন এখন দেশটির বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেও উত্তেজনা পুরোপুরি থামাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ; বরং একাধিক শহরে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এরই মাঝে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফারস প্রদেশে গভর্নরের কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছে বিক্ষোভকারীরা। 

সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, বিক্ষোভের সময় ফাসা শহরে সহিংসতায় তিনজন পুলিশ আহত হয়েছেন এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া পশ্চিমাঞ্চলের হামেদান ও লোরেস্তান প্রদেশেও বিক্ষোভকারী এবং পুলিশের মুখোমুখি অবস্থানের খবর পাওয়া গেছে। এমন অবস্থায় রাজধানী তেহরানে বুধবার ব্যাংক ছুটি ঘোষণা করা হয়। অনেকের মতে, চলমান অস্থিরতা কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং বিবিসির যাচাই করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ফাসায় গভর্নরের কার্যালয়ের গেট ভেঙে ফেলছে বিক্ষোভকারীরা। আরেকটি ভিডিওতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুলি ছুড়তে দেখা যায়।

এ ছাড়া বন্ধ থাকা দোকানের সামনে টিয়ার গ্যাসের ধোঁয়া উঠতেও দেখা যায়। বিক্ষোভের জেরে দেশজুড়ে স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপকে শীতের তীব্রতায় জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ বলে দাবি করা হলেও অনেক ইরানির কাছে এই পদক্ষেপ মূলত বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণেরই কৌশল বলে মনে হয়েছে।

গত রোববার তেহরানে ডলার বাজারে ইরানি মুদ্রার নতুন করে বড় দরপতনের পর ক্ষুব্ধ দোকানিরা বিক্ষোভ শুরু করেন। মঙ্গলবারের মধ্যে এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেয় এবং দেশের ধর্মীয় শাসকদের বিরুদ্ধে একাধিক শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

বিবিসির মতে, ২০২২ সালে নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সেই ব্যাপক বিক্ষোভের পর এটিই সবচেয়ে বিস্তৃত আন্দোলন। তবে এবারকার বিক্ষোভ এখনো সেই মাত্রায় পৌঁছেনি।

এদিকে বিক্ষোভ যাতে আর না বাড়ে, সে জন্য তেহরানের বিক্ষোভকেন্দ্রিক বিভিন্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তার সরকার বিক্ষোভকারীদের ‘ন্যায্য দাবি’ শুনবে।

তবে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি-আজাদ সতর্ক করে বলেছেন, অস্থিরতা তৈরি করার যেকোনো প্রচেষ্টার জবাব ‘দৃঢ়ভাবে’ দেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!