× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৪:৫০ এএম

আটক নাকি মাদুরোকে ‘সেফ এক্সিট’ দিলেন ট্রাম্প, বাড়ছে সন্দেহ

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৪:৫০ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।  ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ছবি- সংগৃহীত

কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনার পারদ বাড়ছিল। ক্যারিবীয় সাগরে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরীসহ বিশাল সৈন্য সমাবেশ করেছিল। ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা বন্ধ এবং জলসীমায় ব্লকেডের কারণে দেশটিতে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত মিলেছিল।

তবে শেষমেশ একটি ‘ছোট’ অভিযানে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে চলে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার পূর্ণ পালাবদলের আগ পর্যন্ত দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ‘চালাবে’। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার ‘আলোচিত’ তেলসম্পদও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।

এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন অগ্রাহ্য করা হিসেবে ইউরোপীয় মিত্ররা সরাসরি নিন্দা জানিয়েছে। রাশিয়া, চীন, কলম্বিয়া ও ইরানসহ বিভিন্ন দেশ মাদুরোর আটক এবং ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বে আঘাতের প্রতিবাদ জানিয়েছে।

তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাটি সম্ভবত কোনো পূর্ণ সামরিক গ্রেপ্তার নয়; বরং আলোচনার মাধ্যমে ‘সেফ এক্সিট’ দেওয়া হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলের একাংশ এই ‘আটক’ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। কেননা স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী কোনো প্রতিরোধ দেখায়নি। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার সামরিক ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির মধ্যে থাকায় সর্বদা সতর্ক।

এই বাস্তবতার কারণে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে প্রবেশের পর মাদুরোকে আটক করে উল্লেখযোগ্য কোনো সংঘর্ষ বা প্রতিরোধ ছাড়া চলে যেতে পারেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প ও মাদুরোর ফোনালাপ হয়। মাদুরো ফোনালাপে ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’ কথা বলেছেন। ট্রাম্পও এই আলাপের কথা স্বীকার করেছেন, তবে বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।

সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচার দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন মাদুরো। গত সপ্তাহে দেশের একটি বন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে আটক হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে মাদুরো কোনো মন্তব্য করেননি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি এটি সত্যিই মাদুরোকে ‘সেফ এক্সিট’ দেয়ার ঘটনা হয়, তবুও ওয়াশিংটন এটিকে সামরিক বিজয় হিসেবে প্রচার করবে। কারণ এটি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদকারী দেশগুলোকে সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, মাদুরোকে নিউইয়র্কে নিয়ে আসা হয়েছে এবং সেখানে মাদক চোরাচালানের অভিযোগে তার জিজ্ঞাবাসাদ করা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!