ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান আপাতত স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার নির্ধারিত হামলার পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার কারণে সাময়িকভাবে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশের নেতাদের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে সতর্ক করেন, আলোচনার মাধ্যমে সন্তোষজনক সমাধান না এলে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
যদিও পরিকল্পিত অভিযানের ধরন বা লক্ষ্য নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প, তবে তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তার ভাষায়, সমঝোতা ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের অভিযান চালানো হতে পারে।
এর আগে প্রকাশ্যে নির্দিষ্ট কোনো হামলার তারিখ উল্লেখ না করলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন ট্রাম্প। এক বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন, “ইরানের হাতে সময় খুব কম। দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্ক আবারও উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছালেও এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বিশেষ করে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন, এসব দেশের নেতাদের অনুরোধেই হামলার সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। একই সময়ে তিনি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং শি জিনপিং-এর সঙ্গেও ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।

