শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ০৪:৫২ এএম

মুরগি ‘খুন’ নিয়ে দুই ভাইয়ের বচসা, প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ০৪:৫২ এএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

দুই পরিবারের মধ্যে মুরগি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিবাদ খুনোখুনিতে পরিণত হলো। পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম থানার সিংধুই গ্রামে বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় আলোচনার সময়ই ধ্বংসাত্মক সংঘর্ষ ঘটেছে। ঘটনায় বাবা স্বরূপ নায়েক (৫৫) ও তার ছেলে অজয় নায়েক (৩৫) নিহত হয়েছেন।

বুধিয়া নায়েক ও স্বরূপ নায়েক দুই ভাই। তারা পাশাপশি বাড়িতে থাকেন। দুই পরিবারই দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বুধিয়ার পরিবারের কয়েকটি মুরগি ছিল। দুই দিন আগে একটি মুরগি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বুধিয়ার পরিবার সন্দেহ করেছিল, স্বরূপের পরিবারের কেউ এর সঙ্গে যুক্ত।

এই ঘটনায় দুই পরিবারের মধ্যে কয়েকদিন ধরে বিবাদ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় সমস্যা মেটানোর উদ্দেশ্যে বুধিয়ার বাড়িতে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু সেখানে বচসা ও হাতাহাতি শুরু হয়। অভিযোগ, বুধিয়ার পরিবারের সদস্যরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে স্বরূপ ও অজয়ের উপর হামলা চালান। এলোপাথাড়ি কোপে বাবা ও ছেলে নিহত হন। স্বরূপের স্ত্রী ও তিন ছেলে আহত হয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, স্বরূপের পরিবারের পাল্টা হামলায় বুধিয়ার এক ছেলে মাথায় আঘাত পান। স্থানীয় নয়াগ্রাম থানার পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় সবাইকে উদ্ধার করে নয়াগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠায়।

নিহত অজয়ের স্ত্রী বুধিয়ার পরিবারের চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই রাতে দুই জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দুই দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াগ্রাম থানা এলাকা থেকে আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত স্বরূপের আত্মীয় কাঞ্চন নায়েক বলেন, ‘মুরগি মারাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে মারপিট হয়েছিল। ঘটনার সময় উপস্থিত না থাকলেও গিয়ে দেখেছি বুধিয়া নায়েকের বাড়ির বাইরে রক্ত, কুড়াল ও অস্ত্র পড়ে ছিল।’

স্থানীয়রা বলেন, দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ এবং সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের খুঁজে শাস্তির জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

Link copied!