শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১০:৪৩ এএম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক আরোপ অবৈধ: মার্কিন আদালত

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১০:৪৩ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বেশির ভাগ শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন দেশটির ফেডারেল আপিল আদালত। এতে ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি ঘিরে বড় ধরনের আইনি লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার আদালত রায়ে জানিয়েছেন, এসব শুল্ক আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) আওতায় বৈধ নয়। ১১ বিচারকের মধ্যে ৭ জন ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে ‘অবৈধ’ বলে সিদ্ধান্ত দেন। রায়ে বলা হয়, শুল্ক আরোপ করা মার্কিন কংগ্রেসের মূল সাংবিধানিক ক্ষমতা এবং এ বিষয়ে প্রেসিডেন্টকে সীমাহীন ক্ষমতা দেওয়ার কোনো নজির নেই।

আদালত তার ১২৭ পৃষ্ঠার রায়ে উল্লেখ করেন, ১৯৭৭ সালে পাস হওয়া আইইইপিএ-তে শুল্ক বা শুল্ক সম্পর্কিত কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই। কংগ্রেস যখনই প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দিয়েছে, তখন সেটি সরাসরি ‘ট্যারিফ’ বা ‘ডিউটি’ শব্দ ব্যবহার করে দিয়েছে বা কাঠামোগতভাবে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে।

তবে রায়ের কার্যকারিতা আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে, যাতে প্রশাসন চাইলে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিতে পারে।

ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

রায়ের পর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, ‘এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমাদের শুল্ক সরিয়ে দিলে দেশ আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। এটা হবে এক ভয়াবহ বিপর্যয়।’

ট্রাম্প শুল্ক আরোপের যৌক্তিকতা দেখিয়েছিলেন বাণিজ্য ঘাটতিকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এপ্রিল মাসে দেওয়া এক নির্বাহী আদেশে তিনি প্রায় সব দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ভিত্তিমূল্য শুল্ক আরোপ করেন এবং বেশ কয়েকটি দেশের ওপর আরোপ করেন ‘পারস্পরিক’ শুল্ক। দিনটিকে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অন্যায্য বাণিজ্য নীতির হাত থেকে মুক্তির দিন’ হিসেবে।

পরে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট ব্যবসা ও কয়েকটি অঙ্গরাজ্য এই শুল্কের বিরুদ্ধে মামলা করে। এর আগে নিউইয়র্কভিত্তিক কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডও শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন, যদিও আপিল প্রক্রিয়ার কারণে সেটি কার্যকর হয়নি।

শুক্রবারের রায় চীন, মেক্সিকো ও কানাডার ওপর আরোপিত শুল্ককেও বাতিল করেছে, তবে স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত শুল্ক এতে প্রভাবিত হবে না।

আইনজীবীরা সতর্ক করেছেন, শুল্ক বাতিল হলে দেশ ১৯২৯ সালের মহামন্দার মতো সংকটে পড়তে পারে। অন্যদিকে আদালতের এই রায় এখন কার্যত সুপ্রিম কোর্টে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি প্রেসিডেন্টদের ‘অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ’ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। আদালত ইতোমধ্যে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও শিক্ষাঋণ মওকুফে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই গৃহীত পদক্ষেপ বাতিল করেছে।

বর্তমানে ৯ সদস্যবিশিষ্ট সুপ্রিম কোর্টে ছয়জন রিপাবলিকান নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক আছেন, যাদের মধ্যে তিনজনকে মনোনীত করেছিলেন স্বয়ং ট্রাম্প। ফলে সর্বোচ্চ আদালতে রায়ের চূড়ান্ত ফল নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

Link copied!