× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

দেড় দশক পর বিধ্বস্ত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করছে জাপান

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

দেড় দশক পর ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে জাপান। ছবি- সংগৃহীত

দেড় দশক পর ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে জাপান। ছবি- সংগৃহীত

প্রায় দেড় দশক (১৫ বছর) বন্ধ থাকার পর কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করছে জাপান। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০১১ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর থেকে বন্ধ ছিল। 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিদ্যুকেন্দ্রের পরিচালনাকারী সংস্থা টোকিও ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) জানায়, নিগাতা প্রদেশে অবস্থিত কেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণ রড বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় সরিয়ে রিঅ্যাক্টর চালু করা হবে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে পুনরায় চালুর প্রতিবাদ করছেন। মঙ্গলবার থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয়। কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী তীব্র শীতের মধ্যেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রবেশপথের কাছে জড়ো হন।

৭৩ বছর বয়সি একজন বিক্ষোভকারী বলেন, “কাশিওয়াজাকি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ তো টোকিওয় যাচ্ছে। আমরা কেন ঝুঁকির মুখে পড়ব?” সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ বাসিন্দা কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর বিপক্ষে।

২০১১ সালের বিপর্যয়ের আগে জাপানের মোট বিদ্যুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসত পারমাণবিক শক্তি থেকে। ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর কঠোর নিরাপত্তা বিধির আওতায় পশ্চিম ও দক্ষিণ জাপানে ১৪টি রিঅ্যাক্টর পুনরায় চালু হয়েছে।

কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া কমপ্লেক্সে রয়েছে ১৫ মিটার উঁচু সুনামি প্রতিরোধ দেয়াল, জরুরি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য নিরাপত্তা উন্নয়ন। তবে স্থানীয়রা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে এখনও উদ্বিগ্ন। কয়েকটি নাগরিক সংগঠন ৪০ হাজারেরও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করে পিটিশন জমা দিয়েছে, যাতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রটি ভূমিকম্প-সংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত এবং পুনরায় চালু করা অযৌক্তিক।

টেপকো ও প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, জাপান ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জন ও জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে পারমাণবিক জ্বালানি পুনরুজ্জীবনের পথে এগোচ্ছে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!