× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম

কুকুর তাড়াতে শিক্ষক নিয়োগ!

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম

কুকুর তাড়াতে শিক্ষক নিয়োগ!

সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের কাঁধে উঠল নতুন দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্কুল চত্বরে কুকুর নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তাদের। পশ্চিমবঙ্গের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে, ডাইরেকটরেট অব স্কুল এডুকেশন জানাল যে প্রতিটি স্কুলে বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত নোডাল শিক্ষককেই স্কুল চত্বরে কুকুরের উপদ্রব কমানোর দায়িত্ব দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি স্কুলকে ক্যাম্পাসের ভিতরে পথকুকুরের উপদ্রব কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা নিশ্চিন্তে স্কুলে যাতায়াত করতে পারে। এ জন্য মিড-ডে মিলের আদলে প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে একজন করে নোডাল শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

নোডাল শিক্ষকরা স্কুল চত্বরের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে থাকবেন। বিশেষ করে মিড-ডে মিল রান্নার জায়গায় কুকুরের আনাগোনা ঠেকাতে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে স্থানীয় পুরসভা বা পঞ্চায়েতের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া স্কুল শুরুর আগে ও প্রার্থনার পরে পড়ুয়াদের পথকুকুর নিয়ে সচেতন করার দায়িত্বও শিক্ষকদের। কুকুরকে ঢিল ছোড়া বা বিরক্ত করার মতো কাজ থেকে পড়ুয়াদের বিরত রাখার কথাও বলা হয়েছে। স্কুলে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার রিপোর্ট আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা দিতে হবে।

এই অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপানো নিয়ে শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অল বেঙ্গল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক চন্দন গড়াই বলেন, শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার বাইরে একাধিক প্রকল্পে শিক্ষকদের যুক্ত করা হচ্ছে। এবার কুকুর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বও তাঁদের উপর চাপানো হল।

শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারীর মতে, ‘শিক্ষকদের দিয়ে কুকুর তাড়ানো শিক্ষকদের মর্যাদাহানিকর। অনেক স্কুলেই সীমানা প্রাচীর নেই—সে ক্ষেত্রে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করা কঠিন।’

সূত্র: আনন্দবাজার

Link copied!