× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম

মা-বাবার ভরণপোষণ না করলেই শাস্তি, আইন পাস

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে একটি ঐতিহাসিক আইন পাস করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে ‘তেলেঙ্গানা এমপ্লয়িজ অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড মনিটরিং অব প্যারেন্টাল সাপোর্ট বিল, ২০২৬’ শীর্ষক এই বিলটি গৃহীত হয়। এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া ভারতের মধ্যে তেলেঙ্গানাই প্রথম।

নতুন আইনের আওতায় সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্য তাদের বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো সন্তান যদি এই দায়িত্ব পালন না করে, তবে তার মাসিক বেতনের একটি অংশ কেটে নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী, বেতনের ১৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা (যেটি কম) কেটে সরাসরি মা-বাবাকে প্রদান করা হবে।

বিলটি উত্থাপনের সময় তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ. রেভান্থ রেড্ডি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যেসব সন্তান মা-বাবাকে অবহেলা করে, তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করা উচিত।’ তিনি উদাহরণ হিসেবে বিজয়পত সিংহানিয়ার কথা উল্লেখ করেন।

রেড্ডির ভাষায়, বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও জীবনের শেষ সময়ে ছেলের কারণে সিংহানিয়াকে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাতে হয়েছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে সর্বোচ্চ সীমা ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও ভবিষ্যতে এই সীমা বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হবে, যাতে প্রবীণ নাগরিকরা আরও বেশি আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা পান।

বিধানসভার স্পিকার জি. প্রসাদ কুমার এবং বিজেপি নেতা পায়েল শঙ্কর-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এই বিলকে স্বাগত জানিয়েছেন।

পায়েল শঙ্কর বলেন, মা-বাবার সেবার জন্য আইন করতে হওয়া দুঃখজনক, তবে বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

সরকারের মতে, এই আইন কার্যকর হলে প্রবীণ মা-বাবার আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং সমাজে পারিবারিক ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও শক্তিশালী হবে।

Link copied!