উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফায় অবস্থিত ইসরায়েলের তেল শোধনাগারের (ওআরএল.টিএ) একটি শিল্প ভবন এবং একটি জ্বালানি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলায় প্রতিষ্ঠান দুটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ হামলা ইরান নাকি লেবানন থেকে করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।
সোমবার (৩০ মার্চ) ইসরায়েলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস এ তথ্য জানিয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কারখানার চত্বরের ভেতরে থাকা একটি গ্যাসোলিন মজুত ট্যাংকে সরাসরি আঘাত হানার ফলে নিকটবর্তী একটি কাঠামোর ছাদ থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।
ফায়ার কমান্ডার ইতান রিফা বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, কোনো বিপজ্জনক পদার্থের ঝুঁকি নেই এবং জনসাধারণের জন্য কোনো বিপদ নেই।
ইসরায়েলের জ্বালানি মন্ত্রী এলি কোহেন বলেছেন, উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর কোনো ক্ষতি হয়নি এবং জ্বালানি সরবরাহেও কোনো প্রভাব পড়বে না।
ইসরায়েলের নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি, যা বাজান নামেও পরিচিত, তার নিকটবর্তী তেল শোধনাগারগুলো ২০ মার্চ একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
গত জুনে হওয়া পূর্ববর্তী একটি সংঘাতের সময়, ইরানের এক হামলায় বাষ্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বাজানের শোধনাগারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন