দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর আবারও ভেনেজুয়েলায় কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই উদ্দেশ্য নিয়ে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানী কারাকাসে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ দূত লরা এফ. ডোগু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজেই এই খবর জানান।
এক পোস্টে ডোগু লিখেছেন, ‘আমি ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছি। আমার দল ও আমি কাজ শুরু করতে প্রস্তুত।’ পোস্টের সঙ্গে তিনি বিমান থেকে নামা ও রানওয়েতে হাঁটার দুটি ছবি শেয়ার করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ডোগু সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি নাগরিক সমাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন। এটি প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্ধারিত তিন ধাপের কৌশল বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
ডোগুর সফরকে স্বাগত জানিয়েছে ভেনেজুয়েলা সরকারও। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল পিন্তো সামাজিক মাধ্যমে বলেন, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে কাজের রূপরেখা তৈরির অংশ হিসেবেই এই সফর।’
বর্তমানে কলম্বিয়াভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলা অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লরা ডোগু। তার কারাকাসে উপস্থিতিকে দুই দেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রকাশ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলা থেকে কূটনীতিক প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র এবং কারাকাসে দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। চলতি মাসের শুরুতে দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দল দেশটি সফর করে।
এর আগে, মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, খুব দ্রুতই কারাকাস থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে দূতাবাস পুনরায় চালুর জন্য ধাপে ধাপে পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।


