মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে যোগ হলো নতুন মাত্রা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস বা প্রেসিডেন্টের বাসভবন লক্ষ্য করে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এই আকস্মিক হামলার পর পুরো অঞ্চলে এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে তেহরানের বিভিন্ন প্রান্তে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে, তেহরানের আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরণের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল নিশ্চিত করেছে যে, এই অভিযানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে অংশ নিয়েছে।
হামলার পরপরই ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দেশজুড়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। নাগরিকদের জন্য দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্ভাব্য পাল্টা হামলার কথা মাথায় রেখে জনগণকে সুরক্ষিত স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আইডিএফ একে একটি ‘প্রাকৃতিক সতর্কতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে, যাতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের হামলার আগেই জনগণ নিজেদের প্রস্তুত রাখতে পারে।
আইডিএফ-এর তথ্যমতে, তেহরানে হামলা চালানো হলেও ইরান এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের দিকে কোনো পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেনি। তবে পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের পক্ষ থেকে বড় কোনো প্রতিক্রিয়া আসার সম্ভাবনা থাকায় ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।


