× UCB Sticker Card
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৬:৫৮ এএম

মেটলাইফের গবেষণা

জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে নিয়োগদাতাদের পাশে চান কর্মীরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৬:৫৮ এএম

জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে নিয়োগদাতাদের পাশে চান কর্মীরা

‘এমপ্লয়ি বেনিফিট ট্রেন্ডস স্টাডি (ইবিটিএস) ২০২৫’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মেটলাইফ বাংলাদেশ। গবেষণায় কর্মীদের প্রত্যাশায় একটি স্পষ্ট পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৭৫ শতাংশের বেশি কর্মী আকস্মিক আর্থিক চাপ বা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত সমস্যার সময় নিয়োগদাতাদের কাছ থেকে সহায়তা প্রত্যাশা করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের বড় সংকটময় সময়েই কর্মীরা নিয়োগদাতাদের সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা করেন। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৪৩ শতাংশ কর্মী আকস্মিক আর্থিক চাপ বা অপ্রত্যাশিত ব্যয়কে এমন একটি পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যখন নিয়োগদাতাদের সমর্থন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

এ ছাড়া ২৫ শতাংশ কর্মী মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, ২৪ শতাংশ কর্মী পরিবারের যতœ নেওয়ার দায়িত্ব এবং ২১ শতাংশ কর্মী গুরুতর চিকিৎসাজনিত জটিলতাকে গুরুত্বপূর্ণ সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ফলগুলো ইঙ্গিত করে যে আর্থিক ধাক্কা, স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং পারিবারিক দায়িত্বের মতো পরিস্থিতিতেই নিয়োগদাতাদের সহযোগিতা কর্মীদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যদিও ৭২ শতাংশ কর্মী বিশ^াস করেন যে, তাদের প্রতিষ্ঠান কর্মীদের প্রতি যতœশীল, তবে মাত্র ৪২ শতাংশ কর্মী অন্যদের কাছে সক্রিয়ভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ করতে আগ্রহী। এটি কর্মীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশিত অঙ্গীকার এবং কর্মীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি স্পষ্ট ব্যবধানের ইঙ্গিত দেয়।

কর্মীরা কেবল কাগজে-কলমে বা নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ উদ্যোগ নয়, বরং বাস্তব সংকটের সময় দৃশ্যমান ও অর্থবহ সহায়তার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ ধরনের সহায়তার ক্ষেত্রে প্রায় ২৯ শতাংশ কর্মী নমনীয় ছুটির নীতিকে (ফ্লেক্সিবল লিভ পলিসি) গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। অন্যদিকে ২৬ শতাংশ কর্মী কঠিন সময়ে কাজের চাপ কমানোর বিষয়টিকে এবং ২২ শতাংশ কর্মী কাজের সময়সূচির ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ কর্মীদের মধ্যে এমন মানবিক কর্মপরিবেশের চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

গবেষণায় এটি আবারও প্রমাণ হয়েছে যে, কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা শুধু সহানুভূতির বিষয় নয়, এটি ব্যবসার প্রবৃদ্ধির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রায় ৭৮ শতাংশ কর্মী জানান, স্বাস্থ্য ও কল্যাণমূলক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের আনুগত্য বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া যেসব কর্মী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্ট, তারা কাজের প্রতি বেশি আন্তরিক থাকেন এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

জরিপ অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে সহানুভূতির সঙ্গে সাড়া দেয়, তারা সহজেই কর্মীদের আস্থা অর্জন করতে পারে, কর্মসম্পৃক্ততা বাড়াতে পারে এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা উন্নত করতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, এখনকার কর্মীদের প্রত্যাশা হলো, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে নিয়োগদাতারা তাদের পাশে থাকবেনÑ সেটি আর্থিক চাপ, স্বাস্থ্যগত সমস্যা কিংবা পারিবারিক দায়িত্ব, যা-ই হোক না কেন। কোনো প্রতিষ্ঠান যখন এমন সময়ে কর্মীদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করে, তখন প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা তৈরি হয়, উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি কর্মীদের আনুগত্য আরও দৃঢ় হয়।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!