× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

 মো. হাসিন রায়হান

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৬:১১ এএম

দৈত্যবধের মহাকাব্য

বিশ্বকাপ কাঁপানো ১০ অবিশ্বাস্য অঘটন

 মো. হাসিন রায়হান

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৬:১১ এএম

বিশ্বকাপ কাঁপানো  ১০ অবিশ্বাস্য  অঘটন

ফুটবল বিশ্বকাপকে বলা হয় ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’Ñবিশ্বমঞ্চের এমন এক মহাযজ্ঞ, যেখানে প্রতি চার বছর পর পর পুরো পৃথিবীর স্পন্দন যেন এক বিন্দুতে এসে থমকে দাঁড়ায়। মাঠের লড়াই, গ্যালারির উন্মাদনা আর কোটি ভক্তের আবেগ নিয়ে রচিত হয় ফুটবলের একেকটি মহাকাব্য। তবে এই বিশ্বমঞ্চের আসল সৌন্দর্য কেবল ফেভারিটদের আধিপত্যে নয়, বরং লুকিয়ে আছে এর অনিশ্চয়তার মাঝে।

কাগজে-কলমে যোজন যোজন পিছিয়ে থাকা, অখ্যাত কিংবা তথাকথিত ‘দুর্বল’ দলগুলো যখন তাদের অদম্য সাহস আর কৌশলে বিশ্বফুটবলের মহাপরাক্রমশালী রাজাদের বুক ধপাস করে হারিয়ে দেয়, তখনই জন্ম নেয় ফুটবল ইতিহাসের একেকটি ‘মহা-অঘটন’। এই রোমাঞ্চকর জয়গুলো যেমন আন্ডারডগদের এনে দেয় অমরত্ব, তেমনি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বা ফেভারিটদের ছিটকে ফেলে দেয় এক নির্মম ট্র্যাজেডিতে। ইতিহাসের পাতা ওল্টালে এমন কিছু অবিশ্বাস্য ম্যাচ পাওয়া যায়, যা ফুটবলপ্রেমীদের কল্পনার সীমানাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। চলুন ফিরে দেখা যাক ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসের এমনই ১০টি সবচেয়ে বড়, রোমাঞ্চকর এবং বুক কাঁপানো অঘটনের বিস্তারিত গল্প।

যুক্তরাষ্ট্র ১-০ ইংল্যান্ড (১৯৫০)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ড ছিল বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত রাজা। আলফ রামসি, টম ফিনি এবং বিলি রাইটের মতো কিংবদন্তিদের নিয়ে গড়া ইংল্যান্ড দল সেবারই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয় এবং তাদের শিরোপার প্রধান দাবিদার মনে করা হচ্ছিল।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের দলটি পেশাদার কোনো ফুটবল দলই ছিল না! দলে ছিলেন একজন ডিশওয়াশার, একজন ডাকপিওন এবং একজন শিক্ষক। টুর্নামেন্টের ঠিক আগে তারা মাত্র একদিন একসঙ্গে অনুশীলন করার সুযোগ পেয়েছিলেন। মাঠের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের বড় জয় ছিল অবধারিত। কিন্তু ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে সেন্টার ফরোয়ার্ড জো গায়েটজেন্সের এক অবিশ্বাস্য হেডে গোল করে বসেন। এরপর পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ড মুহুর্মুহু আক্রমণ করলেও মার্কিন গোলরক্ষক ফ্র্যাঙ্ক বোরগি চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে যান। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ও অন্যতম সেরা অঘটনটি ঘটে যায়।

পশ্চিম জার্মানি ৩-২ হাঙ্গেরি (১৯৫৪)

কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাসের নেতৃত্বাধীন হাঙ্গেরি দলকে বলা হতো ‘মাইটি ম্যাজিয়ার্স’। তারা টানা ৪ বছর অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপে এসেছিল এবং গ্রুপ পর্বে এই পশ্চিম জার্মানিকেই ৮-৩ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল। ফাইনালে যখন এই দুই দল আবার মুখোমুখি হলো, সবাই ধরে নিয়েছিল হাঙ্গেরির জয় কেবল সময়ের ব্যাপার।

ম্যাচের প্রথম ৮ মিনিটের মধ্যেই হাঙ্গেরি ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে সেই ধারণাকে সত্যি প্রমাণ করতে থাকে। কিন্তু এরপরই ফুটবল বিশ্ব এক অলৌকিক প্রত্যাবর্তন প্রত্যক্ষ করে। বৃষ্টিভেজা মাঠে জার্মানি অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায় এবং প্রথমার্ধেই ২-২ সমতা আনে। ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে হেলমুট রাহন তার দ্বিতীয় গোলটি করে হাঙ্গেরির হৃদয় ভেঙে দেন। হাঙ্গেরির অপরাজেয় যাত্রার সমাপ্তি ঘটিয়ে পশ্চিম জার্মানি প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়, যা ইতিহাসে ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে অমর হয়ে আছে।

উত্তর কোরিয়া ১-০ ইতালি (১৯৬৬)

শীতল যুদ্ধের আবহে উত্তর কোরিয়ার এই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়াই ছিল বড় বিতর্কের বিষয়। স্বাগতিক ইংল্যান্ড প্রথমে তাদের ভিসাই দিতে চায়নি। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী ইতালির মুখোমুখি হয় তারা। ম্যাচের শুরুতেই ইতালির মাঝমাঠের প্রধান ভরসা জিয়াকোমো বুলগারেল্লি মারাত্মক চোট পান। তখনকার নিয়মে কোনো পরিবর্তিত বা সাবস্টিটিউট খেলোয়াড় নামানোর নিয়ম ছিল না, ফলে ইতালি ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এই সুযোগটি লুফে নেয় উত্তর কোরিয়া। ম্যাচের ৪২ মিনিটে পাক দু-ইক গোল করে এশীয় দলটিকে এগিয়ে দেন। বাকি সময়ে ইতালি সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হলে টুর্নামেন্ট থেকে তাদের বিদায় ঘণ্টা বেজে যায়। ম্যাচটি এতটাই ঐতিহাসিক ছিল যে, ওই ম্যাচের টিকিট আজও ফিফা মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।

 আলজেরিয়া ২-১ পশ্চিম জার্মানি (১৯৮২)

১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে পশ্চিম জার্মানি এসেছিল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে। লোথার ম্যাথেউস ও কার্ল-হেইঞ্জ রুমেনিগের মতো তারকাখচিত দলটির অহংকার ছিল আকাশচুম্বী। ম্যাচের আগে জার্মান কোচ আলজেরিয়াকে নিয়ে উপহাসও করেছিলেন।

কিন্তু মাঠের খেলায় আলজেরিয়া তাদের দুর্দান্ত পাসিং ফুটবল দিয়ে জার্মানদের নাচিয়ে ছাড়ে। ৫৪ মিনিটে রাবাহ মাদজার গোল করে আলজেরিয়াকে এগিয়ে নেন। রুমেনিগে ৬৭ মিনিটে জার্মানিকে সমতায় থামালেও, তার পরের মিনিটেই লখদার বেল্লুমি এমন এক গোল করেন যা পুরো বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেয়। আলজেরিয়ার এই জয়কে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ‘আন্ডারডগ’ রূপকথা বলা হয়।

ক্যামেরুন ১-০ আর্জেন্টিনা (১৯৯০)

১৯৮৬ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনার একক জাদুতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। ১৯৯০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা মাঠে নামে নবাগত ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে। মিলানের বিখ্যাত সান সিরো স্টেডিয়ামে সবাই ম্যারাডোনার গোলের উৎসব দেখার অপেক্ষায় ছিল।

কিন্তু ক্যামেরুন দল মাঠে নেমেছিল এক শারীরিক ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার রণকৌশল নিয়ে। আর্জেন্টিনার আক্রমণ রুখতে গিয়ে ক্যামেরুনের দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। কিন্তু ৯ জন নিয়ে খেলার পরও ৬৭ মিনিটে ফ্রাঁসোয়া ওমাম-বিয়িক ফ্রি-কিক থেকে আসা এক উড়ন্ত হেডে গোল করে বসেন। আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক পাম্পিদো বলটি গ্লাভসে নিতে ব্যর্থ হলে ক্যামেরুন ঐতিহাসিক জয় পায়। তবে এই ধাক্কা সামলে আর্জেন্টিনা সেবার ফাইনালে উঠেছিল।

ফ্রান্স ০-১ সেনেগাল (২০০২)

১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালের ইউরো জয়ী ফ্রান্স তখন বিশ্বের এক নম্বর দল। অন্যদিকে, সেনেগালের সেটি ছিল প্রথম বিশ্বকাপ এবং তাদের স্কোয়াডের প্রায় সব খেলোয়াড়ই খেলতেন ফ্রান্সের ঘরোয়া লিগে। ২০০২ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এই দুই দলের লড়াই ছিল যেন রাজা আর প্রজার লড়াই।

ইনজুরির কারণে ফ্রান্সের প্রধান তারকা জিনেদিন জিদান এই ম্যাচে খেলতে পারেননি। সেনেগালের খেলোয়াড়রা ফরাসিদের ট্যাকটিক্স খুব ভালো করেই জানতেন। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে এল হাজ্জি দিউফের পাস থেকে পাপা বুবা দিউফ গোল করে সেনেগালকে এগিয়ে নেন। গোল করার পর কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে সেনেগালিজদের নাচ ফুটবল ইতিহাসের এক আইকনিক দৃশ্য। এই হারের ধাক্কা ফ্রান্স সামলাতে পারেনি এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়, আর সেনেগাল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়ে।

ব্রাজিল ১-৭ জার্মানি (২০১৪)

এটি কোনো সাধারণ অঘটন ছিল না, এটি ছিল একটি ফুটবল পরাশক্তির ঘরের মাঠে জীবন্ত ধ্বংসযজ্ঞ। ১৯৫০ সালের ‘মারাকানাজো’র ক্ষত ভুলে ঘরের মাঠে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ (হেক্সা) জয়ের মিশনে নেমেছিল ব্রাজিল। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল জার্মানি। ইনজুরির কারণে ব্রাজিলের প্রাণভোমরা নেইমার এবং কার্ডের কারণে অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা এই ম্যাচে ছিলেন না। তবে কেউ ভাবেনি ব্রাজিলের রক্ষণ এভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। ম্যাচের ১১ মিনিটে মুলার জার্মানিকে এগিয়ে নেওয়ার পর ২৩ থেকে ২৯Ñ এই মাত্র ৬ মিনিটের ঝড়ে জার্মানি আরও ৪টি গোল করে! প্রথমার্ধেই স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-০। দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানি আরও ২ গোল করে। ব্রাজিলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয় (৭-১) বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্রাজিল ভক্তের চোখে জল এনে দিয়েছিল, যা আজ ‘মিনেইরাজো ট্র্যাজেডি’ নামে পরিচিত।

নেদারল্যান্ডস ৫-১ স্পেন (২০১৪)

২০১০ থেকে ২০১২ পর্যন্ত বিশ্ব ফুটবলে একচ্ছত্র রাজত্ব করছিল স্পেনের ‘তিকিতাকা’ ফুটবল। ২০১৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শুরুতেই মুখোমুখি হয় গত আসরের দুই ফাইনালিস্ট স্পেন ও নেদারল্যান্ডস। জাবি আলোনসোর পেনাল্টি গোলে স্পেন ২৭ মিনিটে এগিয়েও যায়।

কিন্তু প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক এক মিনিট আগে রবিন ফন পার্সি মাঝমাঠ থেকে আসা এক দূরপাল্লার পাস ধরে বাতাসে ভেসে প্রায় ১৫ গজ দূর থেকে এক অবিশ্বাস্য ডাইভ হেডে গোল করেন। এই ‘ফ্লাইং ডাচম্যান’ গোলটি স্পেনের আত্মবিশ্বাস চূর্ণ করে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে আরিয়েন রবেন ও ফন পার্সির গতির ঝড়ে স্পেনের বিশ্বসেরা গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াসকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়ে ডাচরা ৫-১ গোলের বিশাল জয় পায়। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেন সেই ধাক্কায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়।

দক্ষিণ কোরিয়া ২-০ জার্মানি (২০১৮)

বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার অভিশাপ ২০১৮ সালেও বজায় ছিল। ২০১৪ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে জয় বড্ড প্রয়োজন ছিল। অন্যদিকে, কোরিয়া প্রায় বিদায়ের পথেই ছিল। পুরো ম্যাচে জার্মানি একের পর এক আক্রমণ করলেও কোরিয়ান গোলরক্ষক চো হিউন-উ একাই দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে যান। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে কর্নার থেকে কিম ইয়ং-গওন গোল করে কোরিয়াকে এগিয়ে নেন। সমতায় ফিরতে মরিয়া জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার নিজের পোস্ট ছেড়ে প্রতিপক্ষের বক্সে আক্রমণে চলে যান। সেই সুযোগে কোরিয়ার সন হিউং-মিন ফাঁকা পোস্টে দ্বিতীয় গোলটি করে জার্মানির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন। ১৯৩৮ সালের পর প্রথমবার জার্মানি গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়।

সৌদি আরব ২-১ আর্জেন্টিনা (২০২২)

কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা এসেছিল টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থাকার অবিশ্বাস্য রেকর্ড নিয়ে। লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপকে রাঙাতে দলটিকে টুর্নামেন্টের অন্যতম হট-ফেভারিট ধরা হচ্ছিল। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল র‌্যাংকিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা সৌদি আরব। ম্যাচের ১০ম মিনিটে মেসি পেনাল্টি থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে আর্জেন্টিনার আরও তিনটি গোল বাতিল হয়। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামে এক অন্য সৌদি আরব। হাই-প্রেসিং ফুটবল খেলে ৪৮ মিনিটে সালেহ আল-শেহরি সমতা আনেন। এর ঠিক ৫ মিনিট পর সালেম আল-দাওসারি বক্সের কোণা থেকে ৩ জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে এক অবর্ণনীয় বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান। আর্জেন্টিনার প্রবল আক্রমণ রুখে দিয়ে সৌদি আরব ম্যাচটি জিতে নেয়। তবে এই অঘটনের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলোÑ এই হারের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনাই শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!