× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৬:৩৪ এএম

ভাড়ার ইটে তৈরি রাস্তা

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে ইট তুলে নিলেন ঠিকাদার

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৬:৩৪ এএম

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে ইট তুলে নিলেন ঠিকাদার

বগুড়ার গাবতলীতে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে একটি কাঁচা রাস্তায় জরুরি ভিত্তিতে বিছানো ইট সফর শেষে তুলে নেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারের এমন কা-ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ইটের অভাবে রাস্তাটি এখন আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায় পরিণত হওয়ায় স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

জানা যায়, উপজেলার বাগবাড়ী-সোনাহাটা সড়ক থেকে জিয়াবাড়ী পর্যন্ত ৫০০ মিটার সংযোগ সড়ক কার্পেটিংয়ের জন্য গত বছর ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং ‘মেসার্স হক ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে সীমানা জটিলতার কারণে মূল কাজ শুরু করতে দেরি হচ্ছিল। এর মধ্যেই গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সফর করেন। তার সফরকে কেন্দ্র করে তড়িঘড়ি করে স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর (এলজিইডি) রাস্তাটিতে ইট বিছানোর উদ্যোগ নেয়। কাজটি দেওয়া হয় শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ঠিকাদার আতিকুর রহমানকে। সফরের সপ্তাহখানেক পর ঠিকাদার রাস্তা থেকে ইটগুলো তুলে ভাটায় ফেরত নিয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে এলজিইডির বগুড়া নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান দাবি করেন, রাস্তার কাজ পাকা করার জন্য আগেই বাজেট বরাদ্দ আছে। তাই ইট কেনার বাড়তি খরচ এড়াতে সাময়িকভাবে ইটগুলো ভাড়া করে বিছানো হয়েছিল। কাজ শেষে সেগুলো তুলে নেওয়া হয়েছে, এতে কোনো অনিয়ম হয়নি।

ঠিকাদার আতিকুর রহমানও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এলজিইডির নির্দেশে ভাটায় ফেরত দেওয়ার শর্তে ইটগুলো বিছিয়েছিলাম। কাজের বিনিময়ে শুধু শ্রমিক ও পরিবহন খরচ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে রাস্তা থেকে ইট তুলে নেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ। বাগবাড়ী গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, আজাদুর রহমানসহ স্থানীয়রা জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী হওয়ায় তারা খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু সফর শেষ হতেই ইট তুলে নেওয়ায় বর্ষার মৌসুমে চলাচল করা এখন দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এটিকে ‘অস্থায়ী ব্যবস্থা’ হিসেবে অভিহিত করলেও জনগণের ভোগান্তি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

উপজেলা প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান জানান, বর্তমানে সড়কটিতে প্যালাসাইডিংয়ের কাজ চলছে এবং আগামী অক্টোবরের মধ্যেই মূল পাকা সড়কের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!