ভোটের আগে বিএনপিতে যোগ দেওয়া তরুণ রাজনীতিক রাশেদ খানকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। গত রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) হিসেবে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাশেদ খান গতকাল ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে তার সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছেন। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ^াসের প্রতিমূর্তি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মাননীয় চেয়ারম্যান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান স্যারকে। আমি যাতে আস্থা ও বিশ্বাসের সহিত আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারি, এজন্য সবার দোয়া ও ভালবাসা চাই। নতুন জীবনের এই পথচলায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’
২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন রাশেদ খান। এরপর গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেন তিনি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেন রাশেদ খান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ঝিনাইদহ-৪ আসন (কালীগঞ্জ উপজেলা, ঝিনাইদহ সদরের একাংশ) থেকে ভোট করে জামায়াত প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন