× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০২:২৪ এএম

ধর্ষণ মামলায় অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০২:২৪ এএম

ধর্ষণ মামলায় অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুলের বিরুদ্ধে  গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ওএসডি অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গতকাল সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আজমত হোসাইন বলেন, ধর্ষণের অভিযেগে গত ২০ মে ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন ভুক্তভোগী নারী। আদালত মামলা আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে গত ১৪ জুলাই স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক তদন্ত শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে জানিয়ে প্রতিবেদন জমা দেন। গতকাল তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। আসামি এদিন আদালতে হাজির না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল তাকে পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে বলে জানান আইনজীবী আজমত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জহিরুল ইসলামের সঙ্গে বাদীর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক’ গড়ে ওঠে। সে সময় জহিরুল ইসলাম ‘তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে বাদীকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

আর্জিতে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরার সরকারি বাংলোয় ‘বাদীকে নাকফুল পরিয়ে’ সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা প্রকাশ করেন পুলিশ কর্মকর্তা জহিরুল। একই বছরের ৮ মার্চ বাদী অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হলে তার ‘স্বামী পরিচয় দিয়ে’ জহিরুল তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

মামলায় বলা হয়েছে, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ২০২১ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিসের বিশ্রামাগার এবং ঢাকায় বাদীর বাসায় একাধিকবার বাদীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন জহিরুল ইসলাম। পরে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি হলেও ‘বিয়ের আশ্বাস দিয়ে’ সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন।

২০২৫ সালের ১৩ জুলাই বাদী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে জহিরুল ইসলাম বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং আইনগত ব্যবস্থা নিলে ক্ষতি করার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়। ওই ঘটনায় ১৫ জুলাই ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বাদী। পাশাপাশি পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বাদী আদালতের শরণাপন্ন হন বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!