× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০৩:৩৪ এএম

প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধে আর বিলম্ব নয়

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২৬, ০৩:৩৪ এএম

প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধে আর বিলম্ব নয়

বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্যারাকুয়েটসহ অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক অবিলম্বে নিষিদ্ধ করে নিরাপদ খাদ্য, জনস্বাস্থ্য ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষক-কিষানি, গবেষক, মৎস্যজীবী, যুব সংগঠক ও পরিবেশকর্মীরা। তাদের মতে, পৃথিবীর প্রায় ৭০টি দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত প্যারাকুয়েট বাংলাদেশে এখনো অবাধে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

সোমবার রাজশাহীর পবা উপজেলার কর্ণহার বিল এলাকায় উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক, বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম এবং গ্রীণ কোয়ালিশন-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে কৃষক-কিষানি, মৎস্যজীবী, কৃষিবিদ, যুব প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির নামে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার আজ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য এক নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। প্যারাকুয়েটসহ অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় মাছ, মৌমাছি, পরাগায়নকারী পতঙ্গ, মাটির অণুজীব এবং জলজ ও স্থলজ প্রাণবৈচিত্র্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। এর ফলে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কৃষকের স্বাস্থ্য এবং দেশের খাদ্যব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে।

বক্তারা উল্লেখ করেন, প্যান এশিয়া প্যাসিফিকের ২০২৫ সালের গবেষণায় বাংলাদেশসহ চারটি এশীয় দেশে ব্যবহৃত ৯৬টি কীটনাশকের মধ্যে ৫৩টিকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব খাদ্য সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এসব কীটনাশক পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার এবং নিরাপদ বিকল্প কৃষি ব্যবস্থা সম্প্রসারণের সুপারিশ করে আসছে। বাংলাদেশ রটারডাম কনভেনশন ও স্টকহোম কনভেনশন এর সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দায় বহন করে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী মৎস্যজীবী, কৃষক ও গবেষকরা বলেন, অতিরিক্ত কীটনাশকের কারণে দেশীয় মাছ বৈচিত্র্য, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাদ্যবৈচিত্র্য, পরাগায়নকারী প্রাণী এবং কৃষি-প্রতিবেশব্যবস্থা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সংকট কেবল পরিবেশগত নয়; এটি খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি এবং গ্রামীণ জীবিকারও সংকট।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!