১২তম বিপিএলের নিলামে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় মোহাম্মদ নাঈম শেখকে দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যাল। তাকে পাওয়ার জন্য নিলামে আগ্রহ দেখায় সিলেট, রংপুর ও নোয়াখালী। তিন দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় চট্টগ্রাম। গত আসরের প্রায় ১৪৪ স্ট্রাইক রেটে ৫১১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি। অন্যদিকে, জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন কুমার দাসকে মাত্র ৭০ লাখ টাকায় দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে দল পেলেন লিটন। বিপিএলের গত আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছেন এই উইকেটরক্ষক ও ব্যাটসম্যানরা। তাদের দুজনের নিলামের পর ‘বি’ ক্যাটাগরিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তোলা হয়েছিল মাহমুদউল্লাহর নাম। কিন্তু তাকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউই। অবিক্রীত থেকেছেন আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমও। দুজনের ভিত্তিমূল্যই ছিল ৩৫ লাখ টাকা। তবে অবিক্রীত ক্রিকেটারদের পরে তাদের আবার নিলামে তোলা হয়। তখন তাদের তোলা হয় ‘সি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হিসেবে।
অন্যদিকে, বাধ্য হয়ে নোয়াখালীতে গেছেন জাকের আলী অনিক ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে কোনো ক্রিকেটারকে নিলামের শুরুতে দলে নিতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে নিয়ম অনুযায়ী সবগুলো দলই ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে বাধ্যতামূলক দুজন ক্রিকেটারকে নিতে হবে। নিলামে ওঠা শেষ দুই ক্রিকেটার জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলামকে ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ টাকায় দলে নিতে বাধ্য হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে বেশ কাড়াকাড়ি হয়েছে। সিলেট, নোয়াখালী ও ঢাকার কাড়াকাড়িতে তার দাম উঠেছে ৫২ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত মিঠুনের ঠিকানা হয়েছে ঢাকা। এদিকে অবিক্রীত থেকে গেছেন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে থাকা জাতীয় দলের পেসার ইবাদত হোসেন। আরেক পেসার নাহিদ রানা ৫৬ লাখ টাকায় গেছেন রংপুর রাইডার্সে। গত আসরেও একই ফ্র্যাঞ্চাইজের হয়ে খেলেছেন তিনি। ক্যাটাগরি ‘বি’তে আছেন জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাদের সবার ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ। তাওহিদ হৃদয়কে ৯২ লাখে দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স, শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। ৩৫ লাখে ওপেনার পারভেজ হোসেন গিয়েছেন সিলেট টাইটানসে। সাইফউদ্দিনকে ৬৮ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন