× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০২:০৭ এএম

গণঅভ্যুত্থানের পর নেপালে ভোট, পরিবর্তনের প্রত্যাশা

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০২:০৭ এএম

গণঅভ্যুত্থানের পর নেপালে ভোট, পরিবর্তনের প্রত্যাশা

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া গণবিক্ষোভের কয়েক মাস পর নতুন সংসদ সদস্য বেছে নিতে সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে নেপাল। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত দেশটির জনগণ এবার পরিবর্তনের আশায় ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ ভোটার এবারের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। সংসদের মোট দুই শত ৭৫টি আসনের বিপরীতে তিন হাজার চারশর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ প্রার্থীও রয়েছেন, যা দেশটির রাজনীতিতে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরোপিত বিধিনিষেধ এবং দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে নেপালে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া সেই আন্দোলনে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রাণ হারান বহু মানুষ। পরিস্থিতির চাপে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, যার অধীনেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থীদের একজন হলেন বালেন্দ্র শাহ। কাঠমান্ডুর সাবেক এই মেয়র তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। র‌্যাপ সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই তরুণ নেতা এখন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার প্রচারণায় বিপুলসংখ্যক তরুণের উপস্থিতি দেখা গেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন।

নেপালের নির্বাচনিব্যবস্থায় দুই ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে একশ পঁয়ষট্টি জন সংসদ সদস্য সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। বাকি একশ দশটি আসন বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে বণ্টন করা হবে। এই পদ্ধতির কারণে নির্বাচনের পর জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসছে তিনটি প্রধান দলÑ নেপালি কংগ্রেস, কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল এবং সাবেক বিদ্রোহী মাওবাদী নেতাদের দল। তবে এবার তরুণদের সমর্থন পাওয়া নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলোও উল্লেখযোগ্য ফল করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নেপালের দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে নির্বাচন পরিচালনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক এলাকায় ব্যালট বাক্স পৌঁছাতে হেলিকপ্টার কিংবা মানুষের কাঁধে বহন করতে হয়। তবুও নির্বাচন কমিশন আশা করছে, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর ধাপে ধাপে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন নেপালের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক সংকটে ক্ষুব্ধ জনগণ এবার এমন নেতৃত্ব চাইছে, যারা সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!