ইসরায়েল ও ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে আংশিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে লেবানন সরকার। স্থানীয় সময় সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত লেবাননের দূতাবাস।
সমঝোতা অনুযায়ী, ইসরায়েল বৈরুত ও হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত উপশহরগুলোতে হামলা থেকে বিরত থাকবে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ রাখবে। তবে এ যুদ্ধবিরতি পুরো সংঘাতের সমাপ্তি নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও দক্ষিণ লেবাননে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, লেবানন থেকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে হামলার প্রস্তুতি নেওয়া সেনাদের পিছিয়ে নিতে সম্মত হয়েছেন। তবে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চলবে এবং ইসরায়েলি বাহিনী আরও ভেতরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। গত ২৫ বছরের মধ্যে এটিই লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলের সবচেয়ে গভীর অনুপ্রবেশ। হিজবুল্লাহর আইনপ্রণেতা হাসান ফাদলাল্লাহ বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পথ তৈরি হলে তাদের সংগঠন তা সমর্থন করবে। এদিকে লেবানন সরকার জানিয়েছে, আগামী বুধবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় যুদ্ধবিরতির পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, আংশিক সমঝোতা হলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত নাজুক।

