× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৫:৪২ এএম

চাঁদাবাজদের হামলার পরও চাঁদা ঠেকাতে নেই কোনো পদক্ষেপ!

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৫:৪২ এএম

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও পরিবর্তন হয়নি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজির চিত্র। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও দেদার চলছে চাঁদাবাজি। ফুটপাথ থেকে টং দোকান, রাস্তাঘাট, অলিগলি সব জায়গা থেকে তোলা হয় কোটি কোটি টাকার চাঁদা আর সেই টাকা যায় বিএনপিপন্থি নামধারী কিছু চাঁদাবাজদের পকেটে। অনেক সময় সাধারণ ব্যবসায়ীরা চাঁদার টাকা না দিতে চাইলে তাদের ওপর হামলা করা হয়। ভেজালমুক্ত থাকতে বাধ্য হয়ে এসব চাঁদার টাকা দিতে হয়Ñ কথাগুলো বলছিলেন কারওয়ান বাজারের পাইকারি আলু ব্যবসায়ী মজনু শেখ। মজনু শেখের মতো একাধিক ব্যবসায়ী দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে জানান, আওয়ামী আমলেও এখান থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা চাঁদা তোলা হতো, যা এখনো চলছে। আগে আওয়ামী লীগের লোকজন চাঁদার টাকা নিত আর এখন বিএনপির লোকজন নিচ্ছে। সিটি করপোরেশন জায়গা ব্যবহার, টার্মিনাল ও রাস্তার ফি, শ্রমিক নেতা, পুলিশ, রোড খরচসহ বিভিন্ন নামে এই চাঁদা তোলেন রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা। এর ভাগ পান প্রশাসনের কর্তারাও।

আওয়ামী সরকারের সময় কারওয়ান বাজারের নিয়ন্ত্রণ ছিল দলটির নেতাকর্মীদের দখলে। তবে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের বিদায়ে বাজারের দখল রয়েছে বর্তমানে বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর দখলে। এসব নব্য চাঁদাবাজ ও দখলদার চক্রকে থামাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

সূত্র মতে, এখানকার প্রধান পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজারে দিনের পর দিন চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলছে। একাধিক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব অপকর্ম চলতেই থাকে। গতকাল শনিবার কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে সরেজমিন দেখা গেছে, এখানে চাঁদাবাজরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও যুবদলের নাম ভাঙিয়ে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ সাধারণ ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চাঁদা আদায় করছেন। প্রতিদিনের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা উপার্জনের বড় একটি অংশ চলে যায় এই হায়েনাদের পকেটে। যেটা নিয়ে ঘটছে খুনোখুনির ঘটনা।

সম্প্রতি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কারওয়ান বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি মানববন্ধন করেন। তাদের দাবি ছিল একটাইÑ ‘ব্যবসা করতে চাই শান্তিতে, চাঁদাবাজমুক্ত বাজারে’। কোনো উসকানি ছাড়াই ব্যবসায়ীরা যখন প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করছিলেন, তখনই দৃশ্যপটে হাজির হয় চাঁদাবাজ গোষ্ঠী। তারা সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা করেন। ঘটে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের মাঝপথেই বিএনপি ও যুবদল নামধারী চাঁদাবাজরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর চড়াও হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভীতি প্রদর্শন করে প্রতিবাদ স্তব্ধ করে দেওয়া। ব্যবসায়ীরা ভয়ে পালিয়ে না গিয়ে উল্টো ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ‘চাঁদাবাজ যেখানে, প্যাদানি হবে সেইখানে’Ñ এই স্লোগান তুলে ব্যবসায়ীরা যখন পাল্টা ধাওয়া দেন, তখন লাঠিয়াল বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পাল্টে যায় পুরো বাজারের চিত্র। ব্যবসায়ীদের এই বীরত্বপূর্ণ অবস্থানের সামনে টিকতে না পেরে এলাকা ছাড়ে চিহ্নিত ওইসব চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা। এর কিছুদিন পর হত্যাকা-ের শিকার হন ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির। যদিও এই ঘটনায় ‘প্রধান শুটারসহ’ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এরই মধ্যে।

একাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কোনো দলের রাজনীতি বুঝি না, আমরা শান্তিতে ব্যবসা করতে চাই। এতদিন মুখ বুজে সহ্য করেছি। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে যারা সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে চায়, তাদের জন্য কারওয়ান বাজার একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে- জুলুমের রাজত্ব আর চলবে না। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের সামনে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে ‘বহিরাগত ব্যক্তিরা’ অতর্কিত হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

কারওয়ান বাজারের ইসলামিয়া শান্তি সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বলেন, কারওয়ান বাজার সুপারমার্কেট, কিচেন মার্কেট, ১ ও ২ নম্বর সুপারমার্কেটের ব্যবসায়ীরা যুবদলের একজনের কাছে চাঁদা দেন। ওই নেতা ও তার সহযোগীদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন অন্য ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন দোকানভিত্তিক মাসিক ও দৈনিক হারে চাঁদা নেওয়া হতো। এমনকি বরফ বিক্রেতাদের কাছ থেকেও অর্থ আদায় করা হচ্ছে। চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদলের ওই নেতার নামে একাধিক মামলাও রয়েছে। বেলায়েত হোসেন আরও বলেন, ‘চাঁদাবাজির প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করছিলাম। হঠাৎ বহিরাগত কিছু লোক এসে আমাদের ওপর হামলা চালান। এতে অনেক ব্যবসায়ী আহত হন। মানববন্ধনের বিষয়টি আগে থেকেই থানা-পুলিশকে জানানো হয়। তারপরও হামলার সময় পুলিশ নীরব ছিল। বেলায়েত আরও বলেন, তেজগাঁও থানা যুবদল ও বিএনপির কিছু নেতার চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণ থাকায় তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে এখনো কেউ কেউ চাঁদাবাজি করছেন।

ব্যবসায়ীরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করে নাম প্রকাশ করতে না চাওয়া আরেক ব্যবসায়ী বলেন, কারওয়ান বাজারকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। প্রসাশনও এর সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিব সাজ্জাদুল মিরাজ বলেছেন, এর আগে যারা মানববন্ধন করে ছিল, তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ব্যবসায়ীদের কমিটিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবদল ও বিএনপির কিছু নেতাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা হয়। সেখানে গ্রুপিংও রয়েছে। যার কারণে একেক ব্যবসায়ী এক ধরনের গ্রুপিংয়ে পড়ে।

রূপালী বাংলাদেশের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে কারওয়ান বাজারের প্রতিটি আড়ত, ফুটপাত, গাড়ির স্ট্যান্ড এমনকি মাছের আড়তও নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দোসর সিন্ডিকেট। প্রতিদিন সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা কয়েক লাখ টাকা ভাগ হয়ে যায় রাত থেকে সকাল পর্যন্ত। এ টাকা নিয়মিত স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পকেটে যাচ্ছে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তাও। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরাও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে জড়িত।

গত ৫ আগস্টের পর কারওয়ান বাজারের দখল ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিভিন্ন সময় ১৫ জনের বেশি আহত হন। পরবর্তীতে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা চাঁদাবাজদের তথ্য সংগ্রহে মাঠে নামে। এরপর ঘটে হত্যাকা-ের ঘটনা। সম্প্রতি বিশেষ এক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য মতে জানা গেছে, গোটা কারওয়ান বাজার এলাকার নিয়ন্ত্রণে নব্য বিএনপিসহ দলটির পদধারী বেশকিছু নেতাকর্মী ও বিএনপিপন্থি লাইনম্যানদের নাম উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য ও কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই চাঁদাবাজি ও দখলদারি সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন উত্তর বিএনপির সদস্য এল রহমান, তেজগাঁও থানা বিএনপি নেতা কাজী বাবু ওরফে চাঁদাবাজ বাবু, ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সস্পাদক বিল্লাল হোসেন ওরফে পান বিল্লাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন ওরফে পিকআপ মিলন, সাবেক বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির ওরফে চাঁদাবাজ মুছাব্বির, সাবেক যুবদল নেতা ইউসুফ মজুমদার ওরফে পিকআপ ইউসুফ, ইউনিট বিএনপির সভাপতি জামাল ওরফে ফর্মা জামাল।

এ ছাড়া তেজগাঁও থানা বিএনপির এক নেতা ও তেজগাঁও থানা যুবদলের আরেক নেতা (আহ্বায়ক কমিটি) স্থানীয় সুবিধাবাদী বিএনপি নেতা জগত মিয়ার ছেলে শাহ আলম, ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পলাশ ওরফে চাঁদাবাজ পলাশ (জনতা টাওয়ার), বিএনপি নেতা হানিফ মাস্টার, ইউসুফ হোসেন মিন্টু ওরফে ফুট মিন্টু, খায়রুল ইসলাম সেলিম, সাবেক ছাত্রদল নেতা এস এম আওলাদ, তেজগাঁও থানা শ্রমিক দলের জাহাঙ্গীর, বিএনপি নেতা সাঈদ ওরফে নাডা সাঈদ, বিএনপির শাহিন শিকদার ওরফে ডাকাত শাহিন (জেল), ইউনিট বিএনপি নেতা রুবেল ওরফে ফুট রুবেল, দোসর শাহ আলম ওরফে কাজী শাহ আলম, (ট্রাক স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ), বিএনপি নেতা রিপন ওরফে কালা রিপন, চশমা হানিফ ওরফে এস আই হানিফ, নব্য বিএনপি ফারুক প্রধান, ভ্যান আনোয়ার, নব্য বিএনপি সুরুজ ওরফে টুন্ডা সুরুজ (প্রশাসনের ক্যাশিয়ার)। ব্যবসায়ী ও গোয়েন্দা তথ্য মতে, এদের সঙ্গে আরও জড়িত আছেন অন্তত ৬০-৭০ জন বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতারা। এদের কাজ পিছন থেকে চাঁদাবাজি ও দখলবাজি।

কারওয়ান বাজারের আড়ত ব্যবসায়ী কাজী গোলামসহ একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এখানে ৫ আগস্টের পর নতুনভাবে চাঁদাবাজদের আস্তানা গড়ে উঠেছে, যার কারণে বিএনপির এক নেতা খুন হয়েছে। এসব খুনের ঘটনায় চাঁদাবাজরাই জড়িত। থানা পুলিশ মাসোহারা খেয়ে কোনো দায়িত্ব পালন করে না। আমাদের ব্যবসা করতে হয় বলে নীরবভাবে চাঁদার টাকা দিয়ে আসছি।

এ বিষয়ে তেজগাঁও থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজাদ রূপালী বাংলাদেশকে জানান, চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। হয়তো কিছু সুবিধাবাদী এসব অপর্কম করছে, এদের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। তারপরও আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত থাকলে বা তথ্য পেলে আমাদের দিবেন আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো।

জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ অরাজকতা, চাঁদাবাজির তথ্য-প্রমাণ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দল যখনই এ ধরনের ঘটনা অবহিত হয় তখনই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দ্বিধা করবে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, পুলিশ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ডিএমপি কোনো চাঁদাবাজদের ছাড় দিবে না।

কারওয়ান বাজারের চাঁদাবাজির বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তেঁজগাও থানার ওসি ক্যশৈনু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, থানায় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে আসছে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি কিছু চাঁদাবাজরা গ্রেপ্তারও হচ্ছে আবার বেরও হচ্ছে। কারা জড়িত কোন দলের লোকজন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলের বিষয় জানি না আমরা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছি, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমাদের সিনিয়র স্যারেরা বলেছেন, কোনো অপরাধী যে ছাড় না পায়, উপরের কর্মকর্তাদের নির্দেশে ও আমাদের থানা পুলিশ এসব বিষয়ে শক্ত অবস্থানে থেকে পেশাদার দায়িত্ব পালন করছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!