ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

সংশোধিত আকারে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল পাস

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিল সংরক্ষণ, গবেষণা এবং প্রদর্শনের জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল সংশোধিত আকারে পাস করেছে জাতীয় সংসদ। সংসদে উত্থাপনের পর বিলটি অবিলম্বে বিবেচনার জন্য নেওয়া হয়। যদিও সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা এই অধ্যাদেশসহ ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু পাসের সুপারিশ করেছিল, পরে অধিবেশনে ৮ ধারায় তিনটি সংশোধনী এনে বিলটি সংশোধিত আকারে পাস হয়।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করেন। বিল উত্থাপনের সময় তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিলাদি সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শনের জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার উদ্দেশ্যেই এই বিল আনা হয়েছে।’

বিলের দফা বিবেচনার আগে মাদারীপুর-৩ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান ৮ ধারার ওপর তিনটি সংশোধনী প্রস্তাব তোলেন। তার প্রধান প্রস্তাব ছিল, জাদুঘরের পর্ষদের সভাপতি হিসেবে বাইরে থেকে মনোনীত কোনো বিশেষজ্ঞের বদলে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী থাকবেন।

আরেকটি সংশোধনীতে ৮ ধারার ২ উপধারার প্রথম পঙক্তিতে থাকা সংশ্লিষ্ট (ক) দফা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব আসে। তৃতীয় সংশোধন প্রস্তাবে বলা হয়, পর্ষদের কোনো সদস্য বা সভাপতি যেকোনো সময় সরকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারবেন, আর সরকার জনস্বার্থে যেকোনো সময় যেকোনো সদস্যের মনোনয়ন বাতিল করতে পারবে।

নিজের প্রস্তাবের পক্ষে আনিছুর রহমান বলেন, ‘এই জুলাই আন্দোলন এই জাতির মুক্তির আন্দোলন।’ নিজের গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এই সংসদ সদস্য বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।