× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn
শিশু অন্তঃসত্ত্বার ঘটনা

অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার ডিএনএ টেস্টের তথ্য গুজব : র‌্যাব

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০৫:৪৭ এএম

অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার  ডিএনএ টেস্টের তথ্য গুজব : র‌্যাব

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়স মাদ্রাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় করা মামলার আসামি মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বুধবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‌্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। এদিকে ওই শিশুর ডিএনএ টেস্টের তথ্য সম্পূর্ণ গুজব বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

এ বিষয়ে গতকাল দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস এলাকায় র‌্যাব-১৪ প্রধান কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করা হয়। ব্রিফিংয়ে র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান বলেন, মামলার প্রধান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার এড়াতে ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করছিলেন। শেষ পর্যন্ত গতকাল ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‌্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলার পর ওই শিক্ষক গাজীপুর, টঙ্গী ও পরে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আত্মগোপনে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার এড়াতে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মুঠোফোনও ব্যবহার করছিলেন না। গোয়েন্দা নজরদারিতে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর গৌরীপুরের সোনামপুরে এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শিশুটির আত্মীয়স্বজন, মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষক চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে লেখাপড়া করত। শিশুটির বাবা তার মাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। তাই জীবিকার তাগিদে মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ বোধ করছিল এবং তার মধ্যে শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায়। পরে তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারেন।

গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে এ ঘটনায় ওই শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে আসামি মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর মধ্যে অজ্ঞাত স্থান থেকে মঙ্গলবার ওই শিক্ষকের একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এদিকে, শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওই শিশুর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা চিকিৎসক বিভিন্ন হুমকি পাচ্ছেন এবং তাকে নানাভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি নজরে আনা হলে র‌্যাব অধিনায়ক নয়মুল হাসান বলেন, বিষয়টি সামনে নিয়ে আসা চিকিৎসক নানাভাবে হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত আছি। তার নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছি। আমরা চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। শিশুটির ডিএনএ রিপোর্ট নিয়ে যে তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়েছে, সেটি সঠিক নয়।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!