× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ইকবাল হাসান ফরিদ

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৫:৩৬ এএম

চাঁদাবাজি ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’

ইকবাল হাসান ফরিদ

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৫:৩৬ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে বরাবরের মতো রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট বসানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ-দুই সিটিতে মোট ২৭টি হাট বসছে। ইতিমধ্যে অধিকাংশ হাটের টেন্ডার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পশুর হাটকে কেন্দ্র করে এবারও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে সিন্ডিকেট, দালালচক্র ও চাঁদাবাজ গ্রুপ। এমন আশঙ্কা করছেন খামারি, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা। এই অবস্থায় কৃত্রিম সংকট তৈরি, অতিরিক্ত খাজনা আদায় এবং দালালনির্ভর বেচাকেনা, হাটে চাঁদাবাজিসহ যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স নীতি গ্রহণ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। প্রতিটি হাটেই বসানো হবে সিসি ক্যামেরা, পুলিশ ও র‌্যাবের আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। পাশাাপশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবেন গোয়েন্দারা। অন্যদিকে অনলাইনে হাট মনিটরিংয়েও থাকছে র‌্যাবের বাহিনীর সাইবার টহল। এ ছাড়া গরু বেচাকেনার সময় বড় অঙ্কের টাকা তোলা ও নিরাপদে বহন করা যায়, সেই লক্ষ্যে থাকছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘মানি এস্কর্ট’ সেবা। এবার সড়ক কিংবা রেললাইনের পাশে যাতে অবৈধ পশুর হাট না বসতে পারে, সেদিকেও কড়া নজরদারি থাকবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পশুবাহী যানবাহনে কিংবা হাটে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হচ্ছে। পশুর হাট কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির যেকোনো ধরনের প্রচেষ্টা ঠেকাতে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন। এক হাটের পশু অন্য হাটে জোরপূর্বক স্থানান্তরের চেষ্টা করা হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রত্যেক হাটে পুলিশের কন্ট্রোলরুমে জাল টাকা শনাক্তের মেশিন থাকবে। অর্থাৎ রাজধানীর কোরবানির হাটগুলো শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং চাঁদাবাজমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। কোরবানির পশুরহাটগুলো নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।

গোয়েন্দা তথ্য মতে, জামিনে মুক্ত কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাদের অনুসারীরা পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কোরবানির পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তারা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে পারেÑ এমন আশঙ্কাকে উড়িয়ে না দিয়ে আগেভাগেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছেÑশীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যার ঘটনায় বছিলা পশুর হাটের টেন্ডার নিয়ে আধিপত্যের অভিযোগ ওঠে।

এদিকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘র‌্যাব গরুর হাটগুলোকে কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করছে। হাইওয়েতে যাতে পশুবাহী পরিবহনগুলো চলাচলে কোনো ধরনের চাঁদাবাজির শিকার না হয় সে জন্য হাইওয়েতে র‌্যাবের পেট্রোল জোরদার থাকবে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি চৌকি বা চেকপোস্ট বসানো হবে। আর চাঁদাবাজি প্রতিরোধে সবগুলো হাটে র‌্যাব সার্বক্ষণিকভাবে সক্রিয় থাকার পরিকল্পনা করেছে। এর পাশাপাশি কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে জালনোটের ছড়াছড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে র‌্যাব। প্রতিটি কোরবানির হাটে র‌্যাবের একটি বুথ থাকবে। যেখানে র‌্যাব সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা ডিউটিতে নিয়োজিত থাকবে। এ ছাড়া অনলাইন হাটগুলোকে কেন্দ্র করে সার্বক্ষণিক র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং থাকবে।’

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে নামধারী কোনো সন্ত্রাসী বা নতুন করে কেউ মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি জানান, জাল নোটের বিস্তার রোধে এবার প্রতিটি বড় হাটে ব্যাংকগুলোর সহায়তায় বসানো হবে আধুনিক জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন। পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি ঠেকাতে হাইওয়ে ও প্রবেশপথগুলোতে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে।’

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশের পশুর হাটে নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। হাটগুলোতে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা, উন্নত আলোকসজ্জা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, নির্ধারিত হিসাব অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৫টি, ঢাকা দক্ষিণে ১১টি, অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ১২৭টি এবং জেলা পর্যায়ে ৪ হাজার ২৫৯টি পশুর হাটের ইজারা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইজারাদারদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন পশুর হাটে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে।

সড়ক ও নৌপথে পশুবাহী যানবাহনে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবে। সিভিল ড্রেসে গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। চামড়া পাচার রোধে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো অবৈধ কোরবানির পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই বিজিবি কঠোর নজরধারী শুরু করেছে। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ রুখতে বিজিবি জিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ করেছে।

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. মো. তৌহিদুল হক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘পশুর হাটকে ঘিরে যে বিশাল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়, তা অপরাধীদের জন্য বড় আকর্ষণ। শুধু অভিযান চালিয়ে নয়, বরং রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখলেই এই শঙ্কা দূর করা সম্ভব। তিনি বলেন, কোরবানির এই বিশাল কর্মযজ্ঞ রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক সক্ষমতার বড় পরীক্ষা। নগরবাসীর প্রত্যাশা সমন্বিত প্রস্তুতির সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায় এবং কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা হয়রানি ছাড়াই তারা যেন প্রিয় পশুটি কিনে নিয়ে ঘরে ফিরতে পারেন।’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পশুর হাটকে কেন্দ্র করে জাল টাকা, মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাই চক্রও সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এবার হাটগুলোতে বাড়তি নজরদারি, সিসিটিভি স্থাপন ও মোবাইল টিম রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানীর পশুর হাটে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে খামারি ও ক্রেতার সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি অনলাইন হাট ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা গেলে প্রতারণা ও দালালনির্ভরতা কিছুটা কমতে পারে। সূত্র বলছে, হাট ইজারা, পরিবহন, প্রবেশ ফি এবং স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই নানা অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে হাটে দালালদের নিয়ন্ত্রণ বেড়ে গেলে সাধারণ ক্রেতা ও প্রকৃত খামারিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েন।

খামারিরা জানান, গ্রামের খামার থেকে গরু এনে রাজধানীর হাটে তুলতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয়। পথে পথে চাঁদা, পরিবহন ব্যয় ও হাটের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে শেষ পর্যন্ত সেই চাপ গিয়ে পড়ে ক্রেতাদের ওপর। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার খামারি আক্তার হোসেন রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমরা সারা বছর গরু লালন-পালন করি। কিন্তু ঢাকার হাটে যখন নিয়ে আসি, তখন দেখি অন্য হিসাব। এখানে দালাল ছাড়া ঠিকমতো বেচাকেনা করাই কঠিন হয়ে যায়।’

রংপুরের গরু ব্যবসায়ী জমির আলী প্রতিবছরই রাজধানীর বিভিন্ন হাটে গরু নিয়ে আসেন। রূপালী বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ‘সঙ্ঘবদ্ধ চক্র হাটের বিভিন্ন সারির পশুর দাম নিয়ন্ত্রণ করে। এতে প্রকৃত বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে পশু বিক্রি হয়। কিন্তু খামারি বা ব্যবসায়ীরা ন্যায্যমূল্য পান না। অভিযোগ রয়েছে, কিছু এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়।’

মিরপুরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী জসিম ভুইয়া রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘গত বছর হাটে গিয়ে দেখি একই ধরনের গরুর দাম একেক জায়গায় একেক রকম। পরে বুঝেছি, মাঝখানে দালালদের একটা সিন্ডিকেট কাজ করে’।

জানা গেছে, এবার ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ২৭ স্পটের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় গাবতলী হাটসহ ১৬টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১১টি হাটে পশু কেনা-বেচা হবে। ইতিমধ্যে দুই সিটি করপোরেশনের হাটের টেন্ডার কার্যক্রমও প্রায় শেষের দিকে। প্রতিবছরের মতো এবারও এসব হাটে লাখো মানুষের পদচারণা আর শত শত কোটি টাকার লেনদেন হবে। তবে এই বিপুল অর্থপ্রবাহকে ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে একাধিক অপরাধী চক্র ও সিন্ডিকেট। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীর পশুর হাট মানেই ইজারা, হাসিল আদায় আর পরিবহন নিয়ন্ত্রণের বিশাল বাণিজ্য। এই আখের গুছিয়ে নিতে ভেতরে ভেতরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রভাবশালী চক্র।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান রূপালী বাংলাদেশকে বলেনÑ ১১টি হাটের মধ্যে এ পর্যন্ত ৯টির সর্বোচ্চ দর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তৃতীয় পর্যায়ে আরও দুটি হাটের দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি জানান, এবার মামলা এবং অধিগ্রহণজনিত কারণে দুটি হাট বসবে না। এর মধ্যে সারুলিয়া হাটের স্থানটি পানি উন্নয়ন বোর্ড অধিগ্রহণ করেছে। অন্যদিকে আফতাবনগর হাট মামলাজনিত কারণে ইজারা দেওয়া হয়নি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন রূপালী বাংলাদেশকে জানান, গাবতলী স্থায়ী হাটসহ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৬টি কোরবানির হাট বসবে। এর মধ্যে ৭টি হাটের ইজারা ফাইনাল হয়েছে। বাকিগুলোর ইজারা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর যেসব স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসবে : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের স্থায়ী হাট গাবতলী ছাড়া অস্থায়ী হাটগুলো হবেÑমিরপুর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকা, কালশী বালুর মাঠের ১৬ বিঘা খালি জায়গায়, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-সংলগ্ন এলাকা, মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার সংলগ্ন খালি জায়গা এবং পূর্ব হাজীপাড়ায় ইকরা মাদরাসার পাশের খালি জায়গা। মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গায়, উত্তরা দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদরাসা থেকে ১০ নম্বর সেক্টর রানাভোলা অ্যাভিনিউ-সংলগ্ন উত্তরা রানাভোলা স্লুইস গেট পর্যন্ত এলাকা, কাঁচকুড়া বাজারসংলগ্ন রহমাননগর আবাসিক এলাকায়, মস্তুল চেকপোস্ট-সংলগ্ন পশ্চিম পাড়ায়, ভাটারা সুতিভোলা খাল-সংলগ্ন খালি জায়গায়, বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গা, মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠের জায়গা, বাড্ডা থানাধীন স্বদেশ প্রপার্টি ও খালি জায়গা এবং বড় বেরাইদ বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গায় পশুর হাট বসবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় পুরান ঢাকার পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিম পাশে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে খালি জায়গায় বসবে কোরবানির পশুর হাট। সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পাশের খালি জায়গা থেকে শুরু করে ধোলাইখালের দুই মূল সড়কে বসবে পশুর হাট। দক্ষিণ সিটির উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘ ক্লাবের খালি জায়গা এবং রহমতগঞ্জ ক্লাবের খালি জায়গাতেও বসবে পশুর হাট। এ ছাড়া আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গা ও শ্যামপুর-কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ডের সড়কের দুই পাশে এবং খালি জায়গায় বসবে কোরবানির পশুর হাট। শিকদার মেডিকেলÑ সংলগ্ন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের খালি জায়গায়, কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ি পানির পাম্প-সংলগ্ন রাস্তার অব্যবহৃত জায়গায় বসবে কোরবানির হাট। দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং থেকে জুরাইন রেলক্রসিং পর্যন্ত এলাকায়, বনশ্রী হাউজিংয়ের খালি জায়গায়, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের খালি জায়গা এবং গোলাপবাগের আউটার স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর পাশের খালি জায়গায় কোরবানির পশুর হাট বসবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!