সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর)’ তথা মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করবে। তবে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটিকে অর্থায়ন করছে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা এমআইওবির ‘কিছু’ প্রতিষ্ঠান। এ জন্য সংগঠনটি এবং এর কিছু সদস্যের স্বার্থ হাসিলে বিশেষ ব্যবস্থা রেখে তড়িঘড়ি করে এনইআইআর চালুর অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)’ ব্যবস্থার ভুল ব্যাখ্যায় এটিকে ঢাল বানাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। অন্যদিকে, বিদ্যমান অবস্থায় এনইআইআর চালু হলে প্রতিযোগিতা নষ্ট এবং বাজার উল্টো সিন্ডিকেটের দখলে যাওয়ারও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
মোবাইল হ্যান্ডসেটের অবৈধ আমদানি ও ব্যবহার, নকল হ্যান্ডসেট উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ প্রতিহত, হ্যান্ডসেটের চুরি প্রতিরোধ, হ্যান্ডসেট ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ, সরকারের রাজস্ব নিশ্চিতের লক্ষ্যে এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নেয় টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সময়ে ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা ২০২১ সালে আংশিকভাবে চালু হয়। সে সময় ২৯ দশমিক ৮১ কোটি টাকায় সিনেসিস আইটি, র্যাডিসন ডিজিটাল টেকনোলজিস এবং কম্পিউটার ওয়ার্ল্ড যৌথভাবে কাজটি পায়। র্যাডিসন ও কম্পিউটার ওয়ার্ল্ডের উদ্যোক্তারা তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সে সময়ই বিষয়টি ব্যাপক সমালোচিত হয়। যদিও সিনেসিস আইটির দাবি, কার্যাদেশ সফল করতে একটি অংশের অর্থ লগ্নি করেছিল বাকিরা। এরপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুতির আগে আরও একবার উদ্যোগ নিয়েও এনইআইআর চালু করেনি আওয়ামী সরকার। গত বছরের শেষ দিকে আবারও এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নেয় বিটিআরসি।
তবে ২০২০ সালে সিনেসিসের সঙ্গে করা চুক্তি ২০২৪ সালের অক্টোবরে শেষ হয়। এ জন্য গত বছরের ডিসেম্বরে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ এবং ওরাকলের ডাটাবেইজের বাৎসরিক ফি বাবদ ৫ দশমিক ৬৪ কোটি টাকার কাজ সিনেসিস আইটিকে দেয় বিটিআরসি। প্রতিযোগীতাহীন দরপত্রের কারণে আপত্তি জানায় দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বেসিস। বিতর্কের জেরে সিনেসিসের কার্যাদেশ বাতিল হয়। সেই সিনেসিস আইটিই শেষ পর্যন্ত চালু করছে এনইআইআর ব্যবস্থা। তবে এবার সিনেসিসকে এই কাজের অর্থ বিটিআরসি না বরং এমআইওবির কিছু সদস্য পরিশোধ করবেন।
অনুসন্ধানে পাওয়া বিটিআরসির একটি নথি অনুযায়ী, এমআইওবির ‘নির্দিষ্টসংখ্যক’ প্রতিষ্ঠান এনইআইআর বাস্তবায়নকারী সিনেসিস আইটিকে ১০ কোটি টাকা দেবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্যাট ও অন্যান্য করসহ স্বেচ্ছায় শর্তহীনভাবে এই অর্থ ব্যয় করবে সংগঠনটির কিছু সদস্য। জানা যায়, এ সংগঠনে ১৮টি মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে এনইআইআরের জন্য অর্থ দেবে ৯টি প্রতিষ্ঠান। তারা দুই বছরের জন্য মোট ১১ কোটি ৪০ লাখ টাকা কয়েক দফায় দেবে সিনেসিসকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিনেসিস নিজেও। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সিস্টেম চালুর আগে অর্থ্যাৎ, আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগে প্রথম অংশ পরিশোধ করবে এমআইওবি। কোন সদস্য প্রতিষ্ঠান কত টাকা দেবে, তার একটি তালিকা এসেছে রূপালী বাংলাদেশের কাছে।
তালিকা অনুযায়ী, ই-স্মার্ট টেকনোলজি বিডি (আইটেল, টেকনো), বেনলি ইলেকট্রনিক এন্টারপ্রাইজ কো. (অপো, রিয়েলমি) এবং বেস্ট টাইকুন বিডি এন্টারপ্রাইজ আড়াই কোটি টাকা করে দেবে। ২ এবং ১ কোটি টাকা করে দেবে যথাক্রমে ডিবিজি টেকনোলজি (শাওমি) ও এক্সেল টেলিকম প্রাইভেট। বাকিদের মধ্যে স্মার্ট হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ (অনার) ৩০ লাখ, ওয়ালটন ও এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ (সিম্ফোনি, হেলিও) ২৫ লাখ করে এবং গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন (বেনকো, জেডটিই, জিওনি) ১০ লাখ টাকার মাধ্যমে অর্থায়নে অংশ নেবে। এসব প্রতিষ্ঠান উল্লেখিত ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট ‘এসেম্বল’ (সংযোজন) এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে আমদানি করে।
তবে একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর অর্থে এমন ব্যবস্থা চালু হলে বাজারে প্রতিযোগিতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণেই বাজারে যাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বিষয়টিকে স্বার্থের সংঘাত উল্লেখ করে রূপালী বাংলাদেশকে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের একটি অংশের অর্থ দেওয়ার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, প্রতিযোগিতাপূর্ণ সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে সিনেসিসকে কাজটি দেওয়ার জন্যই এমনটি করা হয়েছে। পিপিপি বা যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন, বিষয়টি আইনের লঙ্ঘন। দ্বিতীয়ত, ব্যবসায়ীদের একটি অংশ এই অর্থ দেবে কিন্তু তারা কারা, সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। একটি অংশ কেন দেবে, অন্যরা কেন নয়Ñ সেই কারণও অস্পষ্ট। তৃতীয়ত, অবৈধ হ্যান্ডসেট নিয়ন্ত্রণে এমনটা করা হচ্ছে বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা দাবি করছে, কিন্তু যে ব্যবসায়ী গোষ্ঠী টাকা দিল, তারাই যদি অনিয়ম করে, সেটা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে? তারা যদি ভবিষ্যতে দাবি করে তারা অর্থায়ন করেছে, কাজেই তাদের স্বার্থ দেখতে হবে, তাহলে কী হবে? সব মিলিয়ে এই অবস্থায় প্রক্রিয়াটি চালু হলে বাজারে প্রতিযোগিতা নষ্ট করবে এবং একটি গোষ্ঠীকে পুরো বাজারের নিয়ন্ত্রণ দেবে।’ তড়িঘড়ি না করার বদলে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং সব অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সবার জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করে এনইআইআর চালুর পরামর্শ দিয়েছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।
অন্যদিকে যে প্রক্রিয়ায় পিপিপির নামে এনইআইআর চালুতে এমআইওবি ও সিনেসিসের সঙ্গে চুক্তি করেছে বিটিআরসি, সেই প্রক্রিয়ার যথার্থতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি তথা সিপিটিইউর সাবেক মহাপরিচালক ও সাবেক সচিব ফারুক হোসেন বিটিআরসির নথি দেখে জানান, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ ধারণার কোন মডেল অনুসরণ করে বিটিআরসি চুক্তিটি করেছে, সে বিষয়ে সঠিক চিত্র পাওয়া যায় না।
রূপালী বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ‘পিপিপির অনেক ধরন থাকে। ক্রয়কারী সংস্থা জরুরি প্রয়োজনে অনেক কিছু করতে পারে, কিন্তু সে ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অনুমোদন প্রয়োজন। তাদের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে মর্মে বিটিআরসির নথিতে উল্লেখ নেই। ফলে এটা যে কী হয়েছে, কোন মডেলের পিপিপি হয়েছে, আদৌ পিপিপি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে।’
গত ২৯ অক্টোবর রাজধানীর আগারগাঁও কার্যালয়ে বিটিআরসি জানায় যে, পিপিপির আদলে এনইআইআর চালু হচ্ছে। তবে এই কাজকে পিপিপি বলছে না খোদ ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি। প্রতিষ্ঠানটির চিফ সলিউশনস অফিসার আমিনুল বারী শুভ্র রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘পিপিপিতে কোনো কাজ করছি না। পুরো বিষয়টি সিনেসিস, এমআইওবি এবং বিটিআরসির মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি। ২০২০ সালে যখন প্রথমবার টেন্ডার হয়, তখনই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাজটা পেয়েছিলাম। সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে কিছু রক্ষণাবেক্ষণের কাজ সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় আমাদের দেওয়া হয়। সেটি বাতিল করে আবার প্রতিযোগিতাপূর্ণ টেন্ডার আহ্বান করা হয়। সেখানেও আমরা সর্বনি¤œ দরদাতা হই এবং অন্য দরদাতাদের সঙ্গে আমাদের দরের অনেক পার্থক্য ছিল, কারণ আমাদের একটি ‘রেডি সিস্টেম’ আছে। কিন্তু অজানা কারণে সেটাও বাতিল হয়। পরবর্তীতে এমআইওবি, আমরা এবং সরকারের একটি অংশ হিসেবে বিটিআরসি মিলে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করি।’
অভিযোগ উঠেছে, এসব প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে এনইআইআর। বিটিআরসির বিদ্যমান নীতিমালায় এনইআইআর চালু হলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে আর কেউ উল্লেখিত ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট দেশে আমদানি করতে পারবে না। উন্মুক্ত বাজার অর্থনীতি ধারণা এবং দেশের প্রতিযোগিতা আইনকে পাশ কাটিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানিতে বৈদেশিক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এনইআইআরে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘অনুমতি’ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এই সুবিধা নিশ্চিত হলে অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে দীর্ঘদিন ধরে হ্যান্ডসেট বিক্রয়কারীদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। এই ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) বলছে, এই ব্যবস্থায় তারা চাইলেও সরকারকে যথাযথ কর বা রাজস্ব দিয়েও হ্যান্ডসেট আমদানি বা বিক্রি করতে পারবেন না। ফলে বাজারে এমআইওবি সংগঠনের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ তৈরি হবে।
এমবিসিবির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ পিয়াস বলেন, ‘আমরা এনইআইআরের বিপক্ষে না, বরং আমরাও চাই এ ব্যবস্থা চালু হোক এবং বাজারে শৃঙ্খলা আসুক। কিন্তু যে শর্তে চালু হচ্ছে, তা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকেই সুবিধা দেবে, যার খেসারত দেবে দেশের সাধারণ মুঠোফোন ব্যবহারকারীরা। প্রথমত, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বাজারে হ্যান্ডসেটের চাহিদা পূরণে কাজ করছি। এত বড় একটি সিদ্ধান্তে আমরা কোথাও নেই। আমাদের খাতে ১২ লাখ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল, তাদের রুটিরুজির কথা ভাবা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ওই নির্দিষ্টসংখ্যক প্রতিষ্ঠান সবাই মিলেও দেশের হ্যান্ডসেটের চাহিদা পূরণ করতে পারবে না। তাদের হাতে নিয়ন্ত্রণ গেলে শুধু তাদের বাজারজাত করা নির্দিষ্টসংখ্যক মডেলের হ্যান্ডসেটই গ্রাহকদের কিনতে হবে; সেটাও তাদের নির্ধারিত দামে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলো মিলে যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, তাদের সবার হ্যান্ডসেটের দাম ৫০০ টাকা করে বাড়বে, তাহলে গ্রাহকদের সেই দামেই কিনতে হবে। ৫০০ অঙ্কটা শুনতে ছোট মনে হলেও বাজার হিসেবে অনেক বড় অঙ্কে গিয়ে ঠেকবে।’ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি মহলের সঙ্গে আমআইওবি নেতাদের বিশেষ ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলেও অভিযোগ পিয়াসের।
অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এর সদস্য প্রতিষ্ঠান এক্সেল টেলিকমের নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন টিপু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিটিআরসিসহ রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মতো সব নিয়ন্ত্রক সংস্থার আইন মেনে ব্যবসা করছি। আমাদের নিরাপদ রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সরকার দেশের স্বার্থের জন্য এটা (এনইআইআর) করছে, তাদের সহযোগিতা করছি। এটাকে স্বার্থের সংঘাত হিসেবে দেখছি না।’ বাজারের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সাইফুদ্দিন টিপু বলেন, ‘বৈশ্বিক মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে কার্যক্রম আছে এবং বাজার প্রতিযোগিতাশীল। আবার সরকারের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা আছে, যারা বাজার তদারকি করে। তাই চাইলেই বাজারে মনোপলি (একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ) সম্ভব না।’
অন্যদিকে বিটিআরসির বক্তব্য জানতে গত সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার যোগাযোগ করা হলে কমিশনের মিডিয়া উইংয়ের উপপরিচালক জাকির হোসেন খান ই-মেইলে প্রশ্ন পাঠাতে বলেন। একই দিন দুপুরে তার দেওয়া ঠিকানায় কোন আইনের কোন ধারা বা বিধানে পিপিপি প্রকল্পে এনইআইআর কার্যকর করা হচ্ছে, সেটিসহ মোট পাঁচটি প্রশ্ন পাঠানো হয়। গোটা সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবস অপেক্ষা এবং কয়েক দফা যোগাযোগ করেও গতকাল শনিবার এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিটিআরসির পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

