সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাসহ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার নির্দেশনায় বলেছেন যে, বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন না করে প্রয়োজনে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা যেতে পারে।
ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ২০০৬ সালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীন পরিচালিত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সারসংক্ষেপ পাঠায়, যেখানে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ’ করার অনুমোদন চাওয়া হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবটি অনুমোদন করেননি। বরং তিনি একটি নীতিগত নির্দেশনা দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করুন, পুরাতন নয়।
প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অর্থ হলোÑ বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বর্তমান নামেই থাকবে। তবে ভবিষ্যতে কোনো নতুন প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত নামটি বিবেচনা করা যেতে পারে।
কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (কেটিটিসি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো পরিচালিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের যুবসমাজকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনসম্পদ তৈরি করাই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।

