× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফার্মাসিস্ট দিয়েই চলছে স্বাস্থ্যসেবা

পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম

ফার্মাসিস্ট দিয়েই চলছে স্বাস্থ্যসেবা

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রায় ছয় বছর ধরে কোনো চিকিৎসক নেই। চিকিৎসকসহ চারটি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র একজন ফার্মাসিস্ট দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের প্রায় ৪৮ হাজার মানুষ কার্যত একজন ফার্মাসিস্টের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পানির সংকট থাকায় কেন্দ্রটির একমাত্র শৌচাগারটিও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, চরসিন্দুর উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ফার্মাসিস্ট ও অফিস সহায়কÑ এই চারটি পদ থাকলেও বর্তমানে কেবল একজন ফার্মাসিস্ট কর্মরত আছেন। তাহমিনা নামের ওই ফার্মাসিস্ট দীর্ঘদিন ধরে একাই চারজনের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় যোগদানের পর থেকে একদিনও ছুটি নিতে পারেননি। নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ সরবরাহ করার কথা থাকলেও বাস্তবে তাকে রোগী দেখা, ওষুধ দেওয়া, এমনকি কেন্দ্রের কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজও করতে হচ্ছে। প্রতিদিন তাকে ৫০ থেকে ৬০ জন রোগীকে সেবা দিতে হয়।

জানা গেছে, সর্বশেষ নিয়োগপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. রাবেহা মাহমুদ ২০২০ সালের ১৭ ফেব্র”য়ারি প্রেষণে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে যোগ দেন। এরপর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বদলি হয়ে টাঙ্গাইলে চলে যান। দীর্ঘদিন ধরে অফিস সহায়কের পদও শূন্য রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি অধিকাংশ সময় তালাবদ্ধ থাকে। সাংবাদিকদের উপস্থিতির খবর পেয়ে ফার্মাসিস্ট তাহমিনা কিছুক্ষণ পর এসে কেন্দ্রটি খুলেন। এ সময় কয়েকজন রোগী সেবা নিতে এলে তাদের লক্ষণ শুনেই ওষুধ প্রদান করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা সেলিনা বলেন, ‘এখানে দীর্ঘদিন ধরে কোনো ডাক্তার নেই। এই আপাই আমাদের নাপা আর এন্টারসিড প্লাস দেন।’ আরেক রোগী পিয়ারা অভিযোগ করে বলেন, ‘এখানে তেমন কোনো চিকিৎসা পাওয়া যায় না। কিছুক্ষণ থাকার পর আবার তালা মেরে চলে যান।’

এ বিষয়ে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রেষণের কারণে ২০২০ সাল থেকে মেডিকেল অফিসার পদটি শূন্য রয়েছে। পরবর্তীতে সেখানে নতুন করে কাউকে পদায়ন করা হয়নি। বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্র”ত সমাধান হবে।’

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!