ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

বললেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য খাতে জলবায়ু সহনশীলতা আনবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল ই-হেলথ

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৬:১৬ এএম

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা অর্থনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে দেশ। এই বিশাল আর্থিক ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

গতকাল বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘প্রকৃতি ও স্বাস্থ্য : জলবায়ু-সহনশীল জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা’ শীর্ষক এই সভা যৌথভাবে আয়োজন করে ইউএনওপিএস বাংলাদেশ এবং তাদের সঙ্গে সহযোগিতায় ছিল পরিবেশ অধিদপ্তর, বিমসটেক এবং সুইডেন দূতাবাস।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার। এই পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী আরও বড় প্রকল্প গ্রহণ করবে।’

ডিজিটাল স্বাস্থ্য খাতের ঘাটতি পূরণে সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি জলবায়ু-সহনশীল ‘ডিজিটাল ই-হেলথ সিস্টেম’ গড়ে তোলার কাজ চলছে।” বন্যাদুর্গত ও দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি ব্যতিক্রমী ও বাস্তবমুখী প্রস্তাব দেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমার নিজের নির্বাচনি এলাকা যমুনা নদীর তীরে, বর্তমানে সেখানে বন্যা পরিস্থিতি চলছে। দুর্গম চরের মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে শুধু মোবাইল ভ্যান নয়, ‘বোট-বেসড’ বা নৌকাভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।” নদীভাঙন ও চরাঞ্চলের মানুষের স্থায়ী ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সংসদে ‘চর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’ গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, জলবায়ু গবেষক এবং সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।