সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেনানিবাস ও জলসিঁড়িতে ১১ লাখ ৩৬ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে। দেশের সব সেনানিবাস এবং যেসব এলাকায় সেনাবাহিনী আছে সব জায়গায় এসব গাছ রোপণ করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসের নির্ঝর আবাসিক এলাকায় বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সেনাপ্রধান গাছের চারা রোপণ করেন।
সেনাপ্রধান বলেন, বাংলাদেশে যত সেনানিবাস আছে অথবা যেসব এলাকায় সেনাবাহিনী আছেন সেখানে গাছ আর গাছ। এই গাছ অক্সিজেন তৈরি করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। সেনাবাহিনী শুধু বৃক্ষরোপণ করে না, বৃক্ষগুলো সংরক্ষণ করে, যতœ করে এবং এর ফলে সেনানিবাসগুলো বৃক্ষে পরিপূর্ণ থাকে।
সেনাপ্রধান বলেন, গাছ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আমরা গাছ রোপণ কর্মসূচি গুরুত্ব সহকারে পালন করি।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের অন্য সব সেনানিবাস, ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’Ñ এই প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬-এ সব সেনানিবাস, ডিওএইচএস এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকার উপযুক্ত স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির বৃক্ষসহ সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা রোপণ করা হবে। এ কর্মসূচি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত চলমান থাকবে। এতে আরও বলা হয়, দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে সবাইকে স্বপ্রণোদিত হয়ে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করাই এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে সেনাসদর ও ঢাকা অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক ও অসামরিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন