× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২৬, ০২:৫৬ এএম

তথ্যমন্ত্রী বললেন

নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২৬, ০২:৫৬ এএম

নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে  সাংবাদিকদের পেশাগত  নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করা গেলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন। সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই।

তিনি বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। এ সময় সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি উল্লেখ করে এ বিষয়টি নির্ধারণে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!