দীর্ঘদিন শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় ১ হাজার ৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সর্বশেষ ‘চূড়ান্ত তাগিদ’ নোটিশ জারি করা হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গতকাল সোমবার এই সংক্রান্ত একটি আদেশ প্রকাশিত হয়।
বোর্ডের আদেশে বলা হয়েছে, বোর্ডের আওতাধীন জাতীয় দক্ষতামান বেসিক শিক্ষাক্রমে অনেক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হচ্ছে না। আগামী জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬ সেশন থেকে ওইসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম কেন স্থগিত করা হবে না এবং প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে এর আগে দুই দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে সর্বশেষ ১ জুলাইয়ের চিঠিতে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে জবাব দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৮৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে অদ্যাবধি কোনো ব্যাখ্যা বোর্ডের দপ্তরে জমা পড়েনি।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, এটিকে ‘চূড়ান্ত তাগিদ’ হিসেবে গণ্য করে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কারণ দেখিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য নেই মর্মে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কোর্সের নিবন্ধন বাতিলসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনুমোদন বাতিলের প্রক্রিয়ায় থাকা ১ হাজার ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন