× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০২:৩৯ এএম

সচিবালয়ে চাকরিতে যোগ দিতে এসে ৪ জন কারাগারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২১, ২০২৬, ০২:৩৯ এএম

সচিবালয়ে চাকরিতে যোগ দিতে এসে ৪ জন কারাগারে

প্রক্সি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেয়ে যোগদানপত্র দাখিল করতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে ধরা পড়া চার আসামিকে শাহবাগ থানার প্রতারণার মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কারাগারে যাওয়া চার আসামি হলেনÑ মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলিম (২৮), মো. আলী হায়দার (২৯) এবং মো. মাসুদ ফকির (৩১)।

গতকাল সোমবার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আজ মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার (হিমেল) আসামিদের আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটকে রাখার আবেদন জানান। 

অপরদিকে গতকাল আদালতে আসামি রাসেল রানা লিটন ও আলী হায়দারের পক্ষে তাদের আইনজীবী নাজনীন আক্তার জামিন আবেদন করেন। একই সঙ্গে আসামি মাসুদ ফকিরের পক্ষে আইনজীবী মো. মনির  হোসাইন জামিন আবেদন করেন। এর আগে বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। পরবর্তীকালে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করে গতকাল রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়। 

নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হয়। এই সময় চেহারায় মারাত্মক অসংগতি ধরা পড়লে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় পরীক্ষা সম্পন্ন করে নিয়োগপত্র পান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!