× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শরীফা হক, জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৬:০১ এএম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ডিভাইস আসক্তি ও উত্তরণের পথ

শরীফা হক, জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০৬:০১ এএম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ডিভাইস আসক্তি ও উত্তরণের পথ

বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামের ছয় বছরের শিশু অনায়াসে চালাতে পারে ইউটিউব কিডস অথচ নিজের জুতার ফিতা বাঁধতে জানে না। ঢাকার তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বাংলার চেয়ে হিন্দিতে বেশি সাবলীল, কারণ রিলসের নিরন্তর ঝড় তাকে সেদিকেই ঠেলে দিয়েছে। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এগুলো এক গভীর জাতীয় সংকটের উপসর্গ যা একসঙ্গে আঘাত হানছে জনস্বাস্থ্য, শিক্ষানীতি আর সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মূলে। আজ ৫ থেকে ১০ বছর বয়সি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার রূপ নিয়েছে এক নীরব মহামারিতে।

বাংলাদেশ রপফফৎ,ন-এর ২০২২-২০২৪ সালের গবেষণায় ঢাকার ছয়টি স্কুলের ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সি ৪২০ জন শিশুর ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা গেছেÑ ৮৩ শতাংশ স্কুলগামী শিশু প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি স্ক্রিনের সামনে সময় কাটায় যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডঐঙ) নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছে । শিশুদের গড় স্ক্রিন ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দৈনিক ৪.৬ ঘণ্টা। ইংরেজি মাধ্যমের শিশুরা দৈনিক গড়ে ৫.৫ ঘণ্টা এবং বাংলা মাধ্যমের শিশুরা ৩.৭ ঘণ্টা স্ক্রিনের সামনে থাকে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ৫৬ শতাংশ শিশু কোনো অভিভাবকের তদারকি ছাড়াই ডিভাইস ব্যবহার করছে।

৭৬৯ শিশুর ওপর পরিচালিত আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সি ৪৬.৯ শতাংশ স্কুলগামী শিশু উচ্চমাত্রার গ্যাজেট আসক্তিতে আক্রান্ত। প্রাক-বিদ্যালয় বয়সি শিশুদের (২-৫ বছর) ক্ষেত্রেও চিত্রটি ভয়াবহÑ ৮৬ শতাংশ প্রতিদিন এক ঘণ্টার বেশি স্মার্টফোন ব্যবহার করছে এবং ২৯ শতাংশ গুরুতর আসক্তির শ্রেণিভুক্ত।

ডিভাইস আসক্তির ক্ষতির বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এতে শারীরিক ও মানসিক দুদিক থেকেই ক্ষতির শিকার হচ্ছে শিশুরা। রপফফৎ,ন-এর গবেষণা অনুযায়ী, এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি শিশু চোখের সমস্যায় ভুগছে এবং প্রায় ৮০ শতাংশ শিশু ঘন ঘন মাথাব্যথার কথা জানাচ্ছে। অধিক স্ক্রিনটাইমের শিশুরা গড়ে মাত্র ৭.৩ ঘণ্টা ঘুমায়, যেখানে সুস্থ বিকাশের জন্য ৮-১০ ঘণ্টা ঘুম অপরিহার্য। স্ক্রিনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণকে ব্যাহত করে এবং রাতের ঘুমকে ধ্বংস করে যা শারীরিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঘুমের ঘাটতি ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে ১৪ শতাংশ শিশু স্থূলতার শিকার হচ্ছে। বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, কোভিড-পরবর্তী সময়ে ৫-১০ বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে মায়োপিয়ার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে, যা আগে এই বয়সে বিরল ছিল।

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকরা লাখ করছেন, অতিরিক্ত ডিভাইস-ব্যবহারকারী শিশুদের মধ্যে মনোযোগের ঘাটতি ও এডিএইচডি (অউঐউ) লক্ষণ ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। টিকটক, রিলস ও ইউটিউব শর্টসের দ্রুতগতির কনটেন্ট মস্তিষ্কে ‘ডোপামিন লুপ’ তৈরি করে, যা বিকাশমান মস্তিষ্ককে ধৈর্য ও মনোযোগ থেকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে দেয়। রপফফৎ,ন-এর গবেষণায় ২৮.৩ শতাংশ শিশুর মধ্যে আচরণগত সমস্যা এবং ২৮.৮ শতাংশ শিশুর মধ্যে সমবয়সিদের সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতা পাওয়া গেছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই পর্যায়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা অর্জনের আগেই ডিজিটাল আসক্তি শিশুর আত্মবিশ্বাস, সামাজিকতা এবং ভবিষ্যতের মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ইগজঈ-এর আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইমের কারণে ১৭ শতাংশ শিশুর বাকবিলম্ব, ১৩ শতাংশ শিশুর আগ্রাসী আচরণ এবং ৭ শতাংশ শিশুর হাইপারঅ্যাকটিভিটি দেখা দিচ্ছে।

ভাষাগত ও সামাজিক বিকাশও সমানভাবে আক্রান্ত। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, লকডাউন-পরবর্তী শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের একটি অনুচ্ছেদেও একটানা এক মিনিট মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে না। রিল থেকে শেখা ত্রুটিযুক্ত শব্দের ব্যবহার তাদের শুদ্ধ বাংলা শেখাকেও বাধাগ্রস্ত করছে, একইসঙ্গে ভবিষ্যতের সামগ্রিক শিখনক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

শিশুদের সামাজিক দক্ষতারও বিপর্যয় ঘটাচ্ছে অতিরিক্ত ডিভাইসের ব্যবহার। ডিভাইসকেন্দ্রিক নিঃসঙ্গতা শিশুদের সহমর্মিতা, দলগত কাজের ক্ষমতা ও মাতৃভাষার ভিত্তিকে দুর্বল করছে। রপফফৎ,ন-এর গবেষকরা খাবার সময়েও মোবাইল ব্যবহারের প্রবণতাকে পারিবারিক বন্ধনের জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

শৈশব রক্ষায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ : আইন দিয়ে শৈশব রক্ষা

ইউনেস্কোর ২০২৩ সালের ‘বৈশ্বিক শিক্ষা পর্যবেক্ষণ (এঊগ) প্রতিবেদন’ সুস্পষ্টভাবে ক্লাসরুমে স্মার্টফোন নিষিদ্ধের পক্ষে মত দিয়ে জানিয়েছে। স্মার্টফোনের নিছক উপস্থিতিও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর বোধগত মনোযোগ বিঘিœত করে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিশ্বের মাত্র ২৪ শতাংশ শিক্ষাব্যবস্থায় ফোন নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৫৮ শতাংশে (১১৪টি দেশ) পৌঁছেছে।

ফ্রান্স ২০১৮ সালে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে সব ধরনের ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইস নিষিদ্ধ করে এবং ২০২৫ সালে ‘ডিজিটাল পজ’ কর্মসূচি চালু করে। নেদারল্যান্ডস ২০২৪ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফোন, ট্যাবলেট ও স্মার্টওয়াচ নিষিদ্ধ করেছেÑ কেবল ডিজিটাল সাক্ষরতার নির্দিষ্ট পাঠে ব্যতিক্রম রেখেছে। চীন ২০২১ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ফোন আনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের (১৮ বছরের কম বয়সি) রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে অনলাইন গেম খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। চীন তাদের ‘অপ্রাপ্তবয়স্ক সুরক্ষা আইন’ এর আওতায় ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে অনলাইন গেমিং সম্পূর্ণ বন্ধ রাখে এবং সপ্তাহে মাত্র তিন ঘণ্টা গেমিংয়ের অনুমতি দেয়। চীনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা অভিভাবকের লিখিত অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয়ে কোনো ডিভাইস আনতে পারে না। অস্ট্রেলিয়াতেও সরকারি স্কুলগুলোতে ‘অফ অ্যান্ড অ্যাওয়ে’ (ডিভাইস বন্ধ এবং দূরে রাখা) নীতি কার্যকর।

সুইডেন এক দশকের ট্যাবলেট-নির্ভর প্রি-স্কুল শিক্ষার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ২০২৩ সালে শিশু চিকিৎসকদের পরামর্শে স্পর্শ-ভিত্তিক, পর্দামুক্ত শিক্ষায় ফিরে গেছে। সুইডেন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে স্মার্টফোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতালি, হাঙ্গেরি, ব্রাজিল, চিলি, ডেনমার্ক, পোল্যান্ড এবং আরও অনেক দেশ একই ধরনের সীমিত ব্যবহারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

উত্তরণের বহুমাত্রিক পথ : বাংলাদেশের জন্য তিনটি কৌশলগত স্তম্ভ :

বাংলাদেশের প্রয়োজন এমন একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশল, যা বৈশ্বিক শ্রেষ্ঠ অনুশীলনগুলোকে দেশের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার নিরিখে বিবেচনা করে শিশুদের ডিভাইস ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

প্রথমত, আইনি ও অবকাঠামোগত সংস্কার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডিভাইস/স্মার্টফোন সীমিত করার বিষয়ে সরকারকে একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে আসতে হবে এবং আইসিটি শিক্ষা কেবল তত্ত্বাবধানকৃত ল্যাবে পরিচালিত হবে যেমনটি ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস করেছে। একই সঙ্গে বিটিআরসি-কে বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ‘চাইল্ড মোড’ বাধ্যতামূলক করতে হবে। এই মোড রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ভিডিও স্ট্রিমিং ও গেমিং বন্ধ রাখবে।

পাশাপাশি শিশুদের লক্ষ্য করে তৈরি অ্যাপ ও গেমের আসক্তি-সৃষ্টিকারী অ্যালগরিদম নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

দ্বিতীয়ত, তৃণমূলেই ফেরাতে হবে অফলাইন জীবনের রং। অনেক অভিভাবকই নিরুপায় হয়ে মোবাইল-ট্যাবকে বানিয়ে ফেলেন ‘ডিজিটাল প্যাসিফায়ার’। কিন্তু শিশুদের দরকার পর্দার আলো নয়, মাঠের ধুলো আর গল্পের জাদু। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ক্ষেত্রবিশেষে  স্কুলগুলোকে বিকেলের পরেও প্রাণবন্ত করে তোলা যেতে পারে। ক্লাসরুমে জমে উঠতে পারে দাদু-নানুর গল্প বলার আসর, মাঠে তত্ত্বাবধানকৃত খেলাধুলা, আর স্কুল প্রাঙ্গণ হয়ে উঠতে পারে সুস্থ বিনোদনের কমিউনিটি কেন্দ্র।

একইসঙ্গে অভিভাবকদের সচেতনতা ও সংবেদনশীলতা জরুরি। শিশুর জন্য দরকার একটা ‘পারিবারিক ডিজিটাল ডায়েট’Ñ মানে, স্ক্রিনের সঙ্গে একটা সুস্থ দূরত্ব। বাড়িতে চালু করা যেতে পারে ‘ডিভাইস-মুক্ত সময়’। ডাইনিং টেবিল হোক শুধুই গল্প আর হাসির জায়গা, শোবার ঘর হোক শুধুই ঘুমেরÑ দুটো জায়গাই থাকুক একদম ডিভাইসমুক্ত। ডঐঙ বলছে, ৫-১০ বছর বয়সি শিশুদের পড়াশোনার বাইরে স্ক্রিনটাইম দিনে সর্বোচ্চ ১-২ ঘণ্টা ।  আর চোখ বাঁচাতে মানা যেতে পারে ২০-২০-২০ নিয়ম: প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ ফুট দূরে ২০ সেকেন্ড তাকান। ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগেই বন্ধ করতে হবে সব স্ক্রিন। শেষ অস্ত্র? প্যারেন্টাল কন্ট্রোল অ্যাপ। ক্ষতিকর কন্টেন্ট আর সময়Ñ দুটোই লক করে দিতে হবে, যাতে বাচ্চার হাতে থাকে শৈশব, স্ক্রিন নয়।

তৃতীয়ত, শিক্ষকদের হাতেই ধরাতে হবে ডিজিটাল দিশা। শিক্ষকদের জানতে হবেÑ কোন শিশু স্ক্রিনের কারণে পড়ায় পিছিয়ে পড়ছে, আর কীভাবে সেটিকে সারিয়ে তোলা যায়। প্রথম শ্রেণি থেকেই শুরু হতে পারে ‘ডিজিটাল নাগরিকত্বের’ পাঠ।  আমাদের লক্ষ্য ভয় পাওয়া প্রজন্ম নয়Ñ আমরা গড়তে চাই সচেতন নাগরিক, যারা প্রযুক্তিকে ব্যবহার করবে হাতিয়ার হিসেবে, প্রযুক্তির দাস হিসেবে নয়। ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি জোর দিতে হবে গান, খেলা আর আঁকার ওপর। কারণ সুস্থ মস্তিষ্ক আর সৃজনশীল হাতই পারে প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে। সবটার কেন্দ্রে থাকবেন শিক্ষক। সঠিক প্রশিক্ষণ পেলেই তারা শিশুদের শেখাতে পারবেনÑ কীভাবে প্রযুক্তিকে দায়িত্ব নিয়ে ব্যবহার করতে হয়, আসক্তি নয়।

ট্যাবলেটের রঙিন আলো কখনোই দাদির মুখের রূপকথা, উঠোনের কাদামাটির খেলা বা বন্ধুর সঙ্গে লুকোচুরির বিকল্প হতে পারে না। যে প্রজন্মটি আগামীকালের বাংলাদেশ গড়বে, আজ তাদের মস্তিষ্ক, চোখ ও মননকে স্ক্রিনের বিষাক্ত নীল আলো থেকে রক্ষা করাই জাতির ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিনিয়োগ। এই গুরুত্বপূর্ণ জনমিতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ এই পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হতে পারে না। তাই প্রযুক্তির সুষম ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে পরিবার, বিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রকে আজই সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!