× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

প্রবাস ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৬:০৮ এএম

বৈধভাবে সৌদি আরব

প্রবাস ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৬:০৮ এএম

বৈধভাবে  সৌদি আরব

সৌদি আরবে বর্তমানে ‘ফ্রি ভিসা’ বলে আইনত কিছু নেই। যা আছে তা হলো নির্দিষ্ট কোনো কোম্পানির অধীনে ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বা কোম্পানি ভিসা। ২০২৬ সালের আপডেট অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. কোম্পানি ভিসা এবং স্পন্সরশিপ

সৌদি আরবে কাজের জন্য যাওয়ার প্রধান শর্ত হলো একটি বৈধ সৌদি কোম্পানির কাছ থেকে নিয়োগপত্র বা ‘জব অফার’ পাওয়া। এই কোম্পানিই হবে আপনার ‘কফিল’ বা স্পন্সর। কোম্পানি আপনার নামে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (গঙঋঅ) থেকে একটি ভিসা অথোরাইজেশন নম্বর ইস্যু করবে। বর্তমানে ছরধি পোর্টালের মাধ্যমে সৌদি কোম্পানিগুলো তাদের বিদেশি কর্মীদের চুক্তিপত্র এবং কোটা নিয়ন্ত্রণ করে, তাই আপনার চুক্তিটি ডিজিটাল কি না তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

২. পেশা নির্বাচন এবং স্কিল ভেরিফিকেশন

২০২৬ সালে সৌদি সরকার কিছু নির্দিষ্ট পেশার জন্য ‘প্রফেশনাল ভেরিফিকেশন’ বা দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে। বিশেষ করে টেকনিশিয়ান, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার এবং মেকানিকদের ক্ষেত্রে কাজে যোগ দেওয়ার আগে তাদের দক্ষতা প্রমাণ করতে হয়।

এছাড়া ক্লিনার, ড্রাইভার এবং লেবার ভিসার চাহিদা সবসময় থাকলেও কোম্পানির মান এবং বেতন যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

৩. মেডিকেল পরীক্ষা এবং এঅগঈঅ রিপোর্ট সৌদি আরবে কাজের ভিসার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো স্বাস্থ্য পরীক্ষা। আপনাকে সরকার অনুমোদিত এঅগঈঅ (এঈঈ অঢ়ঢ়ৎড়াবফ গবফরপধষ ঈবহঃৎবং অংংড়পরধঃরড়হ) সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। রিপোর্টে যদি কোনো গুরুতর সংক্রামক ব্যাধি (যেমন: হেপাটাইটিস, যক্ষ্মা বা এইচআইভি) ধরা পড়ে, তবে আপনি ভিসার জন্য অযোগ্য হবেন। ২০২৬ সালে এই মেডিকেল রিপোর্টের মেয়াদ এবং স্বচ্ছতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

৪. প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কোম্পানি ভিসার আবেদনের জন্য আপনার যা যা লাগবে:

ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট।

সদ্য তোলা ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (গঙঋঅ) থেকে ইস্যুকৃত ভিসা কপি।

ডিজিটাল কাজের চুক্তিপত্র (ঊসঢ়ষড়ুসবহঃ ঈড়হঃৎধপঃ)।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সত্যায়িত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।

শিক্ষাগত বা কারিগরি যোগ্যতার সনদ (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)।

৫. বায়োমেট্রিক এবং ভিসা স্ট্যাম্পিং

সব কাগজপত্র প্রস্তুত হলে আপনাকে ঢাকার ভিএফএস তাসিল (ঠঋঝ ঞধংযববষ) বা অনুমোদিত ভিসা সেন্টারে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আঙুলের ছাপ (ইরড়সবঃৎরপ) দিতে হবে। এরপর আপনার পাসপোর্টটি দূতাবাসে পাঠানো হবে ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

৬. খরচ এবং ইকামার (ওয়ধসধ) নিয়ম

সরকারিভাবে সৌদি আরবের কাজের ভিসার খরচ ১.৫ থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা (এজেন্সি সার্ভিস চার্জসহ)। তবে এটি পেশা এবং কোম্পানির ওপর নির্ভর করে। সৌদি আরবে পৌঁছানোর ৯০ দিনের মধ্যে কোম্পানিকে আপনার জন্য ইকামা (রেসিডেন্সি পারমিট) তৈরি করে দিতে হবে। মনে রাখবেন, ইকামার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তা নবায়ন করা কোম্পানির দায়িত্ব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!