চট্টগ্রামের চন্দনাইশে দুই শিশুকন্যাকে বিক্রি করার অভিযোগের পর স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার জামিজুরি এলাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে বাকপ্রতিবন্ধী সালমা আক্তারকে (৩৫) বিয়ে করে ঘরে তোলেন নুরুল হুদা (৪৩)। তবে তাকে কোথা থেকে আনা হয়েছিল, সে বিষয়ে এলাকাবাসী নিশ্চিত নন। তাদের দাম্পত্য জীবনে চার কন্যাসন্তান রয়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, নুরুল হুদা প্রথমে তার দুই শিশুকন্যাকে বিক্রি করেন। দাদির কাছে থাকা চার বছরের এক কন্যাসন্তানকেও কয়েকবার বিক্রি করার চেষ্টা করেন। তবে পরিবার ও এলাকাবাসীর বাধার মুখে তা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া ১২ দিন বয়সি নবজাতক কন্যাসন্তানকে জন্মের পর থেকেই বিক্রির চেষ্টা নিয়ে স্ত্রী সালমা আক্তারের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে তাকে বিভিন্ন সময় মারধর করা হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।
একপর্যায়ে স্ত্রীকে হত্যা করে নুরুল হুদা পালিয়ে যান বলে দাবি স্বজনদের। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন