× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৬:১৪ এএম

৬ বছরের শিশুকে হত্যার পর বস্তায় ভরে লাশ গুমের চেষ্টা

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৬:১৪ এএম

৬ বছরের শিশুকে  হত্যার পর বস্তায় ভরে  লাশ গুমের চেষ্টা

বগুড়ার আদমদীঘিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বস্তাবন্দি করে লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সান্তাহার পৌরসভার সাহেবপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম রাকিকা আক্তার রাকা (৬)। সে সান্তাহার ইয়ার্ড কলোনির রায়হান আলীর মেয়ে এবং স্থানীয় নুরানি মাদ্রাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাকা প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সে আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধান না পেয়ে রাকার বাবা সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। ফাঁড়ি পুলিশ তাকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য আদমদীঘি থানায় পাঠায়।

এদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে থানায় জিডি করার সময় পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে রাকার বাবা জানতে পারেন, সান্তাহার সাহেবপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের বাড়ির একটি কক্ষে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর রাকার মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন আমজাদ হোসেনকে আটক করে রাখেন।

খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা ও সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রধান অভিযুক্ত আমজাদ হোসেন (৪০), তার স্ত্রী বন্যা (৩২) এবং অপর সহযোগী বাবুকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করেন। এ সময় গণপিটুনিতে আহত অবস্থায় আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শিশুকন্যা রাকিকা আক্তার রাকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার মরদেহ একটি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে ভরে ঘরের পাশে রাখা হয়েছিল। স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের উদ্ধার ও আটক করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়া মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!