× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৬:৪৮ এএম

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেলিফোন তারের ক্রেতা কারাগারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৬:৪৮ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ লাল টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় চোরাই মাল কেনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মো. মাহাবুব হাসান (৩৪)-কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপ-পরিদর্শক ইনজামুল হোসেন মাহাবুবকে আদালতে হাজির করে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২২ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে কোনো এক সময়ে সচিবালয়ের পুরোনো ১, ২ ও ৩ নম্বর ভবনের ছাদ থেকে বিটিসিএলের প্রায় ১১০ মিটার তামার কেবল চুরি হয়। চুরি হওয়া সরকারি সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।

ঘটনার পর বিটিসিএলের জুনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক (কারিগরি) মো. ফয়সাল কবীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে ৪ জুন সচিবালয় এলাকা থেকে আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র (২৬) এবং ভাঙারি ব্যবসায়ী রিজাকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। পরে আদালত তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন চন্দ্র চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, কেবল থেকে তামা আলাদা করে তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হল সংলগ্ন একটি ভাঙারির দোকানে বিক্রি করা হয়েছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা চোরাই তামার মূল ক্রেতা হিসেবে মাহাবুব হাসানকে গ্রেপ্তার করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাহাবুব চোরাই তামা কেনার বিষয়টি স্বীকার করলেও সেগুলোর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য দিচ্ছেন না। চুরি হওয়া সরকারি সম্পদ উদ্ধার এবং তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে আদালতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!