× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn
কথিত যুবদল নেতা রিপনসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১৩, ২০২৬, ০৬:২১ এএম

পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর

চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেস ক্লাবে ঢুকে দৈনিক যুগান্তরের পটিয়া প্রতিনিধি আবেদুজ্জামান আমিরীকে টেনেহিঁচড়ে বের করে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হামলার শিকার সাংবাদিক নিজে বাদী হয়ে পটিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় কথিত যুবদল নেতা এস এম রেজা রিপনকে প্রধান আসামি করে মোট ৩৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৯ জুন দুপুরে সাংবাদিক আবেদুজ্জামান আমিরী প্রেস ক্লাবে সহকর্মীদের সঙ্গে পেশাগত আলোচনারত ছিলেন। এ সময় এস এম রেজা রিপনের নেতৃত্বে একদল লোক অতর্কিতে প্রেস ক্লাবে প্রবেশ করে এবং আমিরীকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে গিয়ে মারধর শুরু করে। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আবেদুজ্জামান আমিরী জানান, গত বছরের ৫ নভেম্বর এবং চলতি বছরের ৬ মার্চ দৈনিক যুগান্তরে পটিয়ার শ্রীমাই খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন সংক্রান্ত দুটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এই প্রতিবেদনে প্রায় ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শাসন খালের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে আসে। প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। আমিরীর দাবি, ওই প্রতিবেদনের জেরে ক্ষুব্ধ হয়েই রিপন ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।

ঘটনার পর যুবদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল জানান, এস এম রেজা রিপনের সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। প্রাথমিক সদস্যপদ না থাকা সত্ত্বেও সে যুবদলের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক জানান, সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!